স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লোকসভা ভোটের আগে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য কৃষক এবং শ্রমিক স্বার্থ গুরুত্ব পাচ্ছে বামেদের কাছে। তাই বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক লং-মার্চের পর আবারও সারাভারত জুড়ে কৃষক-শ্রমিক স্বার্থরক্ষায় ধর্মঘট ডেকেছে বামেরা।

আরও পড়ুন: বাংলায় ২৩টি আসনের টার্গেট ফিক্সড অমিত শাহের

৮ ও ৯ জানুয়ারি সারা ভারত ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম ট্রেড ইউনিয়ন। পশ্চিমবাংলায় বনধ সফল করার জন্য তৈরি হয়েছে স্ট্রাইক কো-অর্ডিনেশন টিম। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে বনধ বিরোধী নীতি নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেও সিপিএমের ডাকা বনধ ব্যর্থ করার জন্য রীতিমতো হুইপ জারি করে ছিল রাজ্য সরকার। পাশাপাশি রাস্তায় নেমেছিল তৃণমূল। এবারেও তার অন্যথা হবে না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

সূত্রের খবর এবারের বনধ সফল করতে মরিয়া সিপিএম মোড়ে মোড়ে স্ট্রাইক কো-অর্ডিনেশন টিম রাখবে। গ্রামের দিকে এই টিমের দায়িত্বে থাকবে কৃষক ইউনিয়নগুলি। অন্যদিকে কলকাতা সহ রাজ্যের বড় শহরগুলিতে বনধ সফল করার দায়িত্ব বর্তেছে শ্রমিক ও যুব সংগঠনের কর্মীদের উপর।

তৃণমূলের তরফে বনধ ব্যর্থ করতে চাওয়া হলে কী ব্যবস্থা নেবে সিপিএম? এই প্রশ্নের উত্তরে বাম যুব নেতা শতরূপ ঘোষের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘‘আমরা কোন মানুষকে জোর করে বনধ করাতে যাব না৷ কিন্তু যদি কেউ স্বেচ্ছায় বনধ করে আর তৃণমূলের লোকেরা এসে জোর করে দোকান খোলাতে চায় তাহলে পালটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আমরা৷’’

আরও পড়ুন: কেস আর ক্যাশের জোরে রাজ্য চালাচ্ছে তৃণমূল: জয়

শুধুই বনধের সফলতার উদ্দেশ্যে নয়৷ এর পিছনে সাংগঠনিক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাও কাজ করেছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতাদের৷ শাসকের ক্ষমতা হারিয়ে দল এখন বিরোধী৷ বর্তমান বহু যুব নেতারই বিরোধী হয়ে রাজ্যে আন্দোলনের কোনও অভিজ্ঞতা নেই৷ নতুন প্রজন্মকে বাস্তবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্দোলনের পাঠ দিতেও এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে৷