লখনউ: গোরক্ষনাথ মন্দিরে বসে আছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী৷ আর তাঁর পা ধরে বসে রাজ্যের পোশাকধারী পুলিশ৷ ছবিটি ভাইরাল হোতেই সমালোচনার ঝড়৷ মুখ্যমন্ত্রীর পা ধরে রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ৷ তাও আবার পুলিশের পোশাকেই কর্তব্যরত অবস্থায়৷ তাহলে কি যোগীর আনুগত্যে এই পা ছোঁওয়া?

প্রশ্নের উত্তর সামলাতে হচ্ছে যোগীর পায়ে পড়া সেই পুলিশ আধিকারিককে৷ ফেসবুকে পোস্ট করতে গিয়ে যত বিপত্তি৷ গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষে গোরক্ষনাছ মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন পুলিশ অফিসার প্রবীণ সিং৷ মন্দির পরিদর্শনে এসে ভেতরে বসেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ৷

মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে আনুগত্য সামলাতে পারেননি প্রবীণ সিং৷ যোগী দর্শন যেন সাক্ষাত দেবতার দর্শন৷ সেই কারণেই একেবারে ভক্তের মতই সটান পায়ে পড়লেন যোগীর৷ পুলিশের পোশাক পড়েই কর্তব্যকে পিছনে ফেলে যোগীকে ভক্তি প্রদর্শনে ব্যস্ত হলেন৷ শান্তি পেলেন যোগীর হাতে তিলক পড়ে৷

বেশ উৎসাহের সঙ্গেই তিলক কাটার ছবি ফেসবুকে আপলোড করেন প্রবীণ৷ নিমেষেই সেই ছবি ভাইরাল হয়৷ আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রবীণ জানান, নিজের কর্তব্যে তিনি গাফিলতি করেননি৷ যোগী গোরক্ষনাথ মন্দিরে দুটি অনুষ্ঠানে গুরুর দায়িত্ব পালন করেন৷ সেই কারণেই তাঁর আশীর্বাদ নিতে তিনি নবতজানু হয়েছেন৷ তবে, পুলিশের পোশাকে এই কাণ্ড? মেনে নিচ্ছেন না আইজি. সিভিল ডিফেন্স৷ পোশাককে সম্মান দেওয়া পুলিশের প্রথম কর্তব্য বলে জানান তিনি৷ অবশ্য, যোগীর রাজ্যে টেকার লড়াইয়ে পায়ে পড়ার ঘটনা নতুন নয়৷ পুলিশের চরণধূলিকাণ্ডে বেশ খুশি যোগী আদিত্যনাথ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।