স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: আলিপুর থানার ঘটনার পুনরাবৃত্তি টালিগঞ্জ থানায়৷ ফের আক্রান্ত পুলিশ৷ ২০ ঘন্টা পরেও অধরা হামলাকারীরা৷ অবশেষে স্বতঃপ্রনোদিত মামলা শুরু করেছে লালবাজার৷ অভিযুক্তদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি৷

ঘটনার সূত্রপাত গতকাল রাতে৷ প্রকাশ্যে রাস্তায় মদ্যপান করে চেতলার চার বাসিন্দা৷ টালিগঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই যুবকদের আটক করা হয়৷ তাদেরকে থানায় নিয়ে আসার সময় একজন পালিয়ে যায়৷ পালিয়ে যাওয়া যুবকই এলাকা থেকে আরও অনেককে নিয়ে হাজির হয় থানায়৷ চলে তান্ডব৷ থানার ভিতরে ঢুকে কর্তব্যরত পুলিশকে মারধর করা হয়৷ এখানেই শেষ নয় থানা লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট পাটকেল৷ সেই তিন জনকে আটক করা হলেও পরে তাদেরকে থানা থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয়৷

সোমবার টালিগঞ্জ থানায় আসেন পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা৷ ঘটনা খতিয়ে দেখে ১১ ঘন্টা পর পুলিশ স্বতঃপ্রনোদিত মামলা শুরু করে৷ আর এখানেই প্রশ্ন উঠেছে , পুলিশ আক্রান্তের ঘটনায় পুলিশকে মামলা দায়ের করতে কেন এত সময় লাগল? তাহলে কি হামলাকারীদের মাথার উপরে শাসক দলের কোন নেতার হাত রয়েছে? অবশ্য ঘটনার পরই হামলাকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধেই অভিযোগ করে৷ তাদের অভিযোগ পুলিশই তাদের মারধর করেছে৷

শহর কলকাতার বুকে আক্রান্ত পুলিশ৷ এই বিষয় বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ জানান, রাজ্যের পুলিশ সাধারণ মানুষকে কি নিরাপত্তা দেবে৷ এবার দেখছি পুলিশকেই নিরাপত্তা দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে৷ তবে লালবাজার সূত্রে খবর, হামলাকারীদের রেয়াত করা হবে না৷ ইতিমধ্যেই পুলিশ স্বতঃপ্রনোদিত মামলা শুরু করেছে ৷ অভিযুক্তদের খোঁজেও শুরু হয়েছে তল্লাশি৷ খুব তাড়াতাড়িই তাদের গ্রেফতার করা হবে৷

এর আগে ২০১৪ সালে উন্মত্ত জনতা আলিপুর থানায় হামলা চালিয়েছিল৷ সেইবার জনতার হাত থেকে বাঁচতে টেবিলের তলায় পুলিশকে লুকোতেও দেখা গিয়েছিল।