ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: মোমোর দোকানে ঢুকে মদ্যপ অবস্থায় এক যুবক-যুবতীর মাতলামি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় উঠল গোটা এলাকায়৷ অভিযুক্ত যুবক নিজেকে পুলিশ অফিসারের ছেলে পরিচয় দিয়ে মোমোর দোকানে গালিগালাজ করে৷ শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি শহরের কদমতলা সংলগ্ন শিয়াল পাড়া মোড় এলাকায়৷

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যার পর থেকেই ওই এলাকায় যুবক-যুবতীকে ঘোরাফেরা করতে লক্ষ্য করেছেন বাসিন্দারা৷ তবে রাত প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ স্থানীয় এলাকায় এক মোমোর দোকানে মদ্যপ অবস্থায় ওই যুবক ও যুবতি হাজির হয়। মোমো দেওয়াকে কেন্দ্র করে গালিগালাজ দিতে শুরু করে ওই যুবক। এলাকায় বাসিন্দারা সর্তক করলেও উচ্চ স্বরে চলে গালিগালাজ ও মাতলামো৷ এমনটাই অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: স্মার্টফোনে চমক! বিশ্বে প্রথমবার ৪৮ এমপি ক্যামেরা সেন্সর

কেন এই রকম ভাবে গালিগালাজ দিচ্ছেন এই প্রতিবাদ করার ওই যুবক এলাকায় বাসিন্দাদের নিজেকে পুলিশ অফিসারের ছেলে হিসাবে পরিচয় দেন। এরপর হুমকির সুরে এলাকায় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সময় ওই যুবকের সঙ্গে থাকা যুবতি মদ্যক অবস্থায় একই সুরে বাসিন্দাদের হুমকি দিতে থাকে৷ এলাকাবাসীরা এক জোট হয় মদ্যপ যুবককে পাকড়াও করে৷ এই ঘটনার পরই ওই যুবক যুবতিকে চলে যেতে বলে। এরপরেও একই রকম ভাবে চলে গালিগালাজ ও হুমকি। ক্ষুব্ধ জনতার সকলে একজোট হয়ে ওই যুবককে গণধোলাই দেয়।

দেখুন সেই ভিডিও…

এরপর কোতয়ালী থানায় পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পিসি পার্টির পুলিশ এসে ওই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যুবকের বাড়ি কলকাতায় আর যুবতির বাড়ি জলপাইগুড়ি পান্ডাপাড়া এলাকায়। মদ্যপ যুবক ওই যুবতিকে বন্ধু বলে পরিচয় দেয়৷ এদিকে ওই মদ্যপ যুবক বলেন, ‘‘কলকাতার ভবানী ভবনে আমার বাবা চাকরি করে৷ আমি এখানে একটি কোম্পানির কাজে এসেছি। আমার সঙ্গে যে মেয়েটি ছিল সে আমার বন্ধু।’’ তবে মদ খেয়েছে সেই বিষয়টি শিকার করে নেন তিনি।

আরও পড়ুন: ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন সানি

এলাকায় বাসিন্দারা জানান, দু’জনই মদ খেয়ে মাতলামো করছিল। এদিন সন্ধ্যার পর থেকেই এখানে এসে মাতলামি শুরু করে ওই দু’জন। বিরক্ত হয়ে গিয়ে এলাকায় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে গণধোলাই দেয় ওই যুবককে। তবে ইদানিং শহরে এই কালচারটা তৈরি হয়েছে। এখন সন্ধ্যা নামলেই যুবক-যুবতিরা মদ খেয়ে থাকে। আশা করি পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। এই প্রসঙ্গে পাল্টা আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার বলেন, ‘‘এক জনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে৷ আমরা গোটা বিষয়টি দেখছি।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।