নয়াদিল্লি: এক সপ্তাহে পরপর দু’বার চিনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। শুক্রবারও চিনের বিদেশমন্ত্রীর মুখোমুখি হবেন তিনি।

এর আগে ৫ জুলাইন দু’জনের প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের বৈঠক হয় ভিডিও কনফারেন্সে। তারপরই গালওয়ান থেকে কিছুটা পিছিয়ে যায় সেনা। যদিও এখনও আগের অবস্থায় ফিরে যায়নি দু’পক্ষ।

আগের দিনের টানা এই ভিডিও কলিংয়ে আলোচনায় সীমান্ত সংক্রান্ত নানাদিক উঠে এসেছে। ভারত-চিন সংঘাতে সারা বিশ্ব মুখ খুলেছে তবে চিনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে। তাই শেষ পর্যন্ত ভারতের বড় জয় হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। বার্তালাপের মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের এই সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হয়েছে ভারত।

দু-তিন কিলোমিটার রাস্তা পিছু হটা নিয়ে বিবাদ, ভারত-চিন মিলিটারি স্তরের আলোচনায় যা ইতিমধ্যেই পরিষ্কার হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। লাইন অফ কন্ট্রোলে পিপি-১৪ থেকে শেষ অবধি সবকটি পেট্রোল পয়েন্ট ভারতের, তেমনটাই দাবি জানিয়েছে ভারত। তবে ক্যাম্প তৈরি করেনি ভারত কারণ সেভাবেই চুক্তিবদ্ধ দুই দেশ। তবে যেহেতু চিনের তরফে ওখানেই তাঁবু খাটিয়েছে তাই নিজেদের রক্ষা করতে ভারতীয় সেনার তরফেও একই কাজ করা হয়েছিল।

এরপর সোমবারই, লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ার খবর এসেছে। চিনের সেনাবাহিনী সরে গিয়েছে বলে আগেই খবর এসেছে। সেই কথা স্বীকারও করে নেয় চিন।

চিনা সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের বিদেশমন্ত্রী ঝাও লিজিয়ান বলেছেন, ‘গত ৩০ জুন কমান্ডার লেভেলের তৃতীয় বৈঠকের পর সরে গিয়েছে দুই দেশের সেনা।’

সোমবার সকালেই জানা যায়, গত ১৫ জুন যে জায়গায় সংঘাত হয়েছিল, সেখান থেকে অন্তত এক কিলোমিটার সরে গিয়েছে চিনের সেনা।

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব