নয়াদিল্লি: দীর্ঘদিন ধরেই রসগোল্লা আবিষ্কারের অধিকার নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওডিশার মধ্যে লড়াই চলছে৷ এবার সেই লড়াইয়ের নতুন মাত্রা দিলেন আবদুর রেজ্জাক মোল্লা। প্রয়োজনে বিষয়টি নিয়ে ওড়িশার বিরুদ্ধে মামলা করার হুঁশিয়ারিও দিলেন পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণমন্ত্রী।

৩রা নভেম্বর থেকে দিল্লিতে শুরু হয়েছে বিশ্ব খাদ্য উৎসব৷ বাংলায় বিনিয়োগ টানতে শনিবার উৎসবে এসেছিলেন রেজ্জাকসাহেব। সেখানেই এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রসগোল্লা আমাদেরই। কোনওভাবেই এর দাবিদার ওড়িশা হতে পারে না। প্রশ্নই নেই। ওড়িশা যদি রসগোল্লা নিয়ে বেশি বিতর্ক তোলে, তাহলে আমরা প্রয়োজনে আদালতেরও দ্বারস্থ হবে। সেখানেই ফয়সলা হয়ে যাবে, রসগোল্লা আদতে কার।

রসগোল্লার কার তা নিয়ে নিয়ে বাংলা ও ওড়িশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই দ্বন্দ্ব চলছে। ওড়িশা সরকার আগেই দাবি করেছে, পুরীতে জগন্নাথদেবের মন্দিরে শত শত বছর ধরে রসগোল্লা ভোগের রীতি প্রচলিত, এই যুক্তিতেই তারা রসগোল্লার ওপর দাবি জানাচ্ছেন৷ যদিও কলকাতার রসগোল্লা-স্রষ্টারা তা মানতে নারাজ।

বাংলারও দাবি, রসগোল্লা তাদেরই। কলকাতার ময়রা নবীনচন্দ্র দাস ১৮৬৮ সালে প্রথম রসগোল্লা আবিষ্কার করেন৷ নবীনচন্দ্র দাসের পরিবার বলছে, রসগোল্লার যে ছানা তার বিশেষত্ব নিয়ে ওড়িয়াদের কোনও ধারণাই নেই! ধীরেন্দ্রনাথ দাসের কথায়, ‘ওড়িশার দাবিটাই পুরো মিথ্যে। এই ছানা নবীন দাসের অনেক বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফসল!’

এখন সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। আদালতে পুরো বিষয়টি গড়ায় কি না, আর গড়ালে শেষ পর্যন্ত কী রসগোল্লার হাঁড়ি জোটে, সেটাই দেখার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.