নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক স্তরে কাশ্মীর ইস্যু বেশ নজর কেড়েছে। দ্বিতীয় দফায় নরেন্দ্র মোদী সরকার কাশ্মীর রি-অরগানাইজেশন বিল ও ৩৭০ ধারা বিলোপ পেয়েছে ভূয়সী প্রশংসা। তবে পাকিস্তান ফুঁসছে, প্রতিবাদ করেছে রাষ্ট্রসংঘে। বেশ কয়েকদিন কড়া কথার আদানপ্রদান হয়েছে ভারত-পাকিস্তানের। তবে পাল্লা ভারি ভারতের। আমেরিকার পর এবার ব্রিটেন জানিয়ে দিল কাশ্মীর একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয় যা নিয়ে দুই প্রতিবেশি দেশের কথা বলার প্রয়োজন আছে।

মঙ্গলবার বিকেলে বোরিস জনসনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর এই কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউকে সরকার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইউকে মনে করে কাশ্মীর ইস্যু ভারত-পাকিস্তানের যা দ্বিপাক্ষিকভাবেই মেটানো উচিত। বারবার কথার মাধ্যমে এই ইস্যুকে মিটিয়ে ফেলার কথা বলেন।”

আরও পড়ুন : পরপর গ্রেনেড হামলায় হাসিনাকে বাঁচাতে নজিরবিহীন মানব ঢাল দেখেছিল বিশ্ব

এছাড়াও ব্রিটিশ সরকার আরও জানিয়েছে সামনেই G7 সামিট। ফ্রান্সে এই সম্মেলনের আগে এই দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন আবহাওয়া পরিবর্তনের বিষয়টির ওপর আলোকপাত করতে যা প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস ও বাণিজ্য ভিত্তিক বিষয়গুলি নিয়েও ফোনে কথোপকথন সারেন তাঁরা। মোদীর মুখে উঠে এসেছে সন্ত্রাস ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন জায়গাকে কিভাবে ছেয়ে ফেলেছে সেই কথা।

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে পাকিস্তনি ও খলিস্তানি দলেরা যেভাবে ইণ্ডীয়ান মিশনের বাইরে যেভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে তা নিন্দনীয়। মোদীর বক্তব্য অনুযায়ী লণ্ডনে পরিকল্পিতভাবেই যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা নিয়ে নিন্দা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও সুরক্ষার কথাও মনে রেখেছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়ে সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হাই কমিশনের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ।