মুম্বই: উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীকে ধর্ষণ ও পরে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ। দোষীদের চরম শাস্তির দাবি উঠেছে দেশজুড়ে। ঘটনা প্রসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথের সরকারের ভূমিকায় বাড়ছে ক্ষোভ। হাথরসের ঘটনা নিয়ে এবার সরব মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। ‘এই ধরনের ঘটনা মহারাষ্ট্রে ঘটতেই দেব না’, সাফ বললেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।

হাথরসের নির্যাতিতা তরুণীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে মা এবং ভাইয়ের সঙ্গে মাঠে ঘাস কাটছিলেন ওই তরুণী। কিছুক্ষণ পর হাতে ঘাসের বান্ডিল নিয়ে ভাই বাড়ি ফিরে এলেও তখনও মাঠে কাজ করছিলেন মা-মেয়ে।

জানা গিয়েছে, ঘাস কাটতে কাটতে মায়ের থেকে কিছুটা দূরে চলে যায় ওই তরুণী। কিছু সময় পর মাঠে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে তাঁর খোঁজ শুরু করেন ওই তরুণীর মা এবং পরিবারের লোকেরা। এরপর কিছুটা দূরে দোপাট্টা জড়ানো অবস্থায় বাজরা খেতের মধ্যে মেয়ের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পান পরিবারের লোকেরা। তরুণীর পরিবারের দাবি, মোট চার থেকে পাঁচ জন উচ্চবর্ণের যুবক তাঁদের মেয়েকে টেনে হিঁচড়ে বাজরা খেতের মধ্যে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে।

নির্যাতনের পরিমাণ এতটাই বেশী ছিল যে, ওই তরুণীর ঘাড়ের হাড় এবং শিরদাঁড়া ভেঙে গিয়েছিলো। পঙ্গু অবস্থায় খেতের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন তরুণী। শেষমেশ একটানা ১৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তরুণীর। মেয়েটির মৃত্যুর পরে তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে না দিয়ে চুপিসারে দাহ করে দেয় যোগী আদিত্যনাথ সরকারের পুলিশ। যোগী প্রশাসনের পুলিশের ভূমিকায় দেশের সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

একাধিক রাজনৈতিক নেতার পাশাপাশি হাথরসের ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। তিনি বলেন, ‘‘যখন উত্তরপ্রদেশের মতো ঘটনা কোথাও ঘটে তখন তা নিয়ে দিন কয়েক খুব আলোচনা চলে। তারপর সবাই সব কিছু ভুলে যান। কিন্তু মহারাষ্ট্রে এই ধরনের ঘটনা আমরা ঘটতেই দেব না।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।