কলকাতা: উত্তর ২৪ পরগনায় মৃতের সংখ্যা আগেই দুই হাজার ছাড়িয়েছে৷ গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের৷ আক্রান্ত আরও প্রায় ৭০০ জন৷ যদিও মোট আক্রান্ত ও মৃতের দিক থেকে শীর্ষে কলকাতা৷ এছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী,কলকাতায় এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লক্ষের বেশি৷ তথ্য অনুযায়ী ১ লক্ষ ১ হাজার ৩১০ জন৷ একদিনে ৮৬১ জন৷

আর উত্তর ২৪ পরগণায় মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯৬ হাজার ৪৩২ জন৷ সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন,৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৮৪৯ জন৷

এছাড়া উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের৷ তারফলে এই জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা ২,০৩২ জন৷ আর কলকাতায় মোট মৃতের সংখ্যাটা ২,৬৫১ জন৷ তৃতীয় স্থানে হাওড়া৷ সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা ৯০২ জন৷ তারপর দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৫৯৩ জন৷

রাজ্যে মোট ৮,৬২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ এদের মধ্যে ৪,৬৮৩ জনই কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণার বাসিন্দা৷ অর্থাৎ এই দুই জেলায় ৫০ শতাংশের বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট মৃতের সংখ্যাটা ৩,৯৪৫ জন৷

এছাড়া কলকাতায় মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯ হাজার ৯৪৯ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১ লক্ষ ৩ হাজার ৭২১ জন৷ এই দুই জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৭০ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় আক্রান্ত ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৫২ জন৷ ফলে বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৯৬ হাজার ৫২২ জন৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷ এগুলো হল -হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলী,দুই বর্ধমান,বাঁকুড়া,দুই মেদিনীপুর, নদীয়া,মুর্শিদাবাদ,মালদা,জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং ও কোচবিহার৷

এদিনের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত যথাক্রমে
হাওড়া (৩১,৮৪০),দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(৩২,৭২৩),হুগলী (২৫,৬৮৮),পশ্চিম বর্ধমান (১৩,৪৮০),পূর্ব বর্ধমান ( ১০,৭৫৩) জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ( ১৮,৪৭১),বাঁকুড়া (১০,০৯২)জন, পশ্চিম মেদিনীপুর (১৮,২৭৯) জন,নদীয়া ( ১৮,৯৫৯) জন,মুর্শিদাবাদ (১১,০৩৭) জন৷ মালদা ( ১১,৬৭২) জন, জলপাইগুড়ি (১২,৮৭৮) জন দার্জিলিং (১৫,৮৫৬) জন ও কোচবিহার ( ১০,৮৩১) জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।