কলকাতা: শুধু কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা এক লক্ষ ছাড়াল৷ গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৭ জন৷ মৃত্যু হয়েছে আরও ১০ জনের৷ তবে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি৷

সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য ভবন বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৪৭ জন৷ রবিবার ছিল ৮৭৯ জন৷ তার ফলে কলকাতায় মোট আক্রান্ত এক লক্ষ ছাড়াল৷ তথ্য অনুযায়ী ১ লক্ষ ৭৫৬ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৫ হাজারের বেশি৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৮৩৪ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৮৪ জন৷ ফলে বাংলায় মোট সংক্রমণ ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন৷

কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৩ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের৷ তার ফলে রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ কয়েক মাস পরে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় এদিন কারও মৃত্যু হয়নি৷

একদিনে কলকাতায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৬৯ জন৷ যা আক্রান্তের তুলনায় বেশি৷ তবে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৯১ হাজার ৩৬৩ জন৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে সুস্থ ৮৪৫ জন৷ এই জেলায়ও আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ বেশি৷ সব মিলিয়ে এই পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৬ হাজার ৬০৩ জন৷

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়া উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও কয়েকটি জেলার সংক্রমণ৷ এগুলো হল -হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলী,পশ্চিম বর্ধমান,দুই মেদিনীপুর, নদীয়া,মুর্শিদাবাদ,মালদা,জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং৷

এদিনের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, মোট আক্রান্ত যথাক্রমে
হাওড়া (২৯,৯৯৪),দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(৩০,৩১৫),হুগলী (২৩,৭৩৫), পশ্চিম বর্ধমান (১২,৫২২),পূর্ব মেদিনীপুর ( ১৭,৫৬০) ও পশ্চিম মেদিনীপুর (১৭,৪৪১) জন,নদীয়া ( ১৬,৮৪৫) জন,মুর্শিদাবাদ (১০,৪৭৪) জন৷ মালদা ( ১১,১৫৯) জন, জলপাইগুড়ি (১১,৭৬৯) জন দার্জিলিং (১৪,৫৯৯) জন ও কোচবিহার ( ১০,৩১২) জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

এছাড়া অন্য রাজ্যের বাসিন্দা কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে,সেই সংখ্যাটা ৩ জন৷ আক্রান্ত আরও ৬৬ জন৷ তবে তাদের মধ্যে ৬৩ জনই সুস্থ হয়ে উঠেছেন৷ তার ফলে এখানে ভিন রাজ্যের কেউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নেই৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।