তিরুঅনন্তপুরম: বেশ কিছুদিন ধরেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বছর ৪৮-এর সাজিকে। অবশেষে অর্ধবিকৃত মৃতদেহ দেখে চিহ্নিত করেন তাঁর মা ও ভাই। কর্ণাটকের জঙ্গলে খুঁজে পাওয়া যায় সেই দেহ। পরিবারে নামে শোকের ছায়া। রীতি মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়।

কিন্তু দিন ১৫ বাদে চমকে গেল গোটা পরিবার। একি! ফিরে এসেছেন সেই সাজি। কেরলের ওয়ানাড়ে আদিক্কোলি গ্রামে ওই পরিবারের বাস। গত ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সাজির সঙ্গে তাঁর পরিবারের কোনও যোগাযোগ ছিল না। এরপরই ওই ঘটনা ঘটে। মৃতদেহের ময়নাতদন্তও হয়েছিল। ১৬ অক্টোবর শেষকৃত্য হয়। তাহলে ইনি কে? মৃতদেহে কিছু কিছু চিহ্ন মিলে গেলেও, আসলে বিকৃত মুখটা সাজির কিনা তা বোঝা যায়নি।

খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না বলে সাজির ভাই জিনেশ গিয়েছিলেন থানায়। পুলিশ জানায় কর্ণাটকের জঙ্গলে একটি দেহ পাওয়া গিয়েছে। মুখটা বিকৃত হয়েছিল। তবে কাটা দাগ আর পা দেখেই মা চিনে নেন ছেলে সাজিকে। জামাকাপড়ও ছিল একই রকম। অনেকেই আবার একথাও বলেছিলেন যে ওই জঙ্গলের কাছেই নাকি তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছিল। অবিবাহিত সাজি মাঝে মধ্যেই এদিক-ওদিক চলে যেতেন একা।

অবশেষে পেশায় চালক ভাই সুনীলের সঙ্গে বাসস্ট্যান্ডে দেখা সাজির। তখনই তিনি জানতে পারেন যে বাড়িতে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এরপর বাড়ি ফেরেন তিনি। প্রথমটায় হতবাক হলেও শোকের ছায়া মুছে পরিবার এখন খুশিতে মশগুল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.