বেঙ্গালুরু: এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেই মিলবে টাকা৷ দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারের মেয়েদের জন্য নয়া প্রকল্প আনল ইয়েদুরাপ্পা সরকার৷ আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়া ব্রাহ্মণ সমাজের কাছে এই প্রকল্প ‘আশীর্বাদ’ স্বরূপ৷ জনপ্রিয় প্রকল্প দুটি হল ‘অরুন্ধতী’ এবং ‘মৈত্রেয়ী’৷

ব্রাহ্মণ সমাজের মুখে হাসি ফোটাতে গত বছরই কর্ণাটক রাজ্য ব্রাহ্মণ উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেছিল ইয়েদুরাপ্পা সরকার৷ বোর্ডের কথা অনুযায়ী, প্রথম প্রকল্প অরুন্ধতী থেকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা পাবেন ব্রাহ্মণ পরিবারের নববধূরা৷ দ্বিতীয় প্রকল্প ‘মৈত্রেয়ী’ থেকে মিলবে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক মদত৷ তবে এর জন্য রয়েছে একটি ছোট্ট শর্ত৷ বলা হয়েছে, ব্রাহ্মণ পরিবারের কোনও মেয়ে যদি রাজ্যেরই কোনও পুরোহিতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধে, তাহলে তাঁকে ৩ লক্ষ টাকার বন্ড দেওয়া হবে৷ তবে এর জন্য আরও কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলেও জানিয়েছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান এইচএস সচিদানন্দ মূর্তি৷

তিনি বলেন, ‘‘এই দুই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে অবশ্যই আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল ব্রাহ্মণ পরিবারের সদস্য হতে হবে৷ এছাড়াও এটি ওই মহিলার প্রথম বিবাহ হতে হবে৷ বিবাহিত দম্পতিকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত একসঙ্গে দাম্পত্য জীবন কাটাতে হবে৷’’ জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ৫০০ জন বিবাহযোগ্য যুবতীকে অরুন্ধতী প্রকল্পের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে৷ ২৫ জন ব্রাহ্মণ বধূকে বেছে নেওয়া হয়েছে মৈত্রেয়ী প্রকল্পের জন্য৷

কর্ণাটকের ব্রাহ্মণদের মন পেতেই এই প্রকল্পটি চালু করেছে ইয়েদুরাপ্পা নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার৷ পাশাপাশি আরও একটি প্রকল্প নিয়ে এসেছে রাজ্য সরকার৷ যে সকল ব্রাহ্মণ সন্তান পূজা-অর্চনা এবং সন্ধ্যা বন্দনা শিখতে চান, তাঁদের মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এই প্রকল্পে৷ ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে নাম লিখিয়েছেন ৪ হাজার ব্রাহ্মণ৷ সর্বোপরী ৮ থেকে ৮০ বছরের ব্রাহ্মণ সন্তানরা এই প্রকল্পে নাম লেখাতে পারবেন৷

সম্প্রতি তিনটি নতুন বোর্ড গঠন করেছে কর্ণাটকের বিজেপি সরকার৷ ব্রাহ্মণ ছাড়াও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষদের নানাবিধ সুবিধা পৌঁছে দিতেই এই বোর্ড তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে রয়েছে লিঙ্গায়েত-বীরশৈব সম্প্রদায়ও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।