নয়াদিল্লি: তিনি এলেন, দেখলেন, বললেন কিন্তু বড়ই হতাশ করলেন৷ সাংবাদিকদের মুখোমুখি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ পাঁচ বছরের প্রধানমন্ত্রীত্বের মেয়াদকালের শুক্রবার মোদীর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলন দেখে এই কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা৷ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে৷ ফলে খবরের গুরুত্ব কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক৷ সাংবাদিকদের ঝাঁঝালো প্রশ্নের জবাবে কি উত্তর দেবেন ক্ষুরধার মোদী? জানতে সবার চোখ তখন টিভির পর্দায়৷

 

দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে নরেন্দ্র মোদীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে আসেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ তাঁর ঠিক ডান দিকেই বসেন নমো৷ শুরু হয় সাংবাদিক সম্মেলন৷ বক্তব্য রাখতে শুরু করেন অমিত শাহ৷ বিজেপি সরকারের কাজের নানা দিক তুলে ধরেন তিনি৷ নির্বাচনী প্রচার নিয়েও কথা বলেন৷ পাশে গালে হাত দিয়ে মন দিয়ে সভাপতির কথা শুনছেন মোদী৷ কিন্তু টিভির এপারে সবাই ব্যস্ত হয়ে ওঠেন নমোর কথা শুনতে৷

২৫ মিনিট পর ভাষণ শেষ হয় অমিতের৷ এবার মাইকে বলা শুরু করেন নরেন্দ্র মোদী৷ সবাই শিরদাঁড়া সোজা করে বসে পড়েন৷ মোদীও অমিতের মতো গতানুগতিক কিছু কথা বলেন৷ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, এবারও বিজেপিই ক্ষমতায় আসবে৷

মোদীর বলা শেষ হওয়ার পর শুরু হয় সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্ব৷ উত্তরদাতার ভূমিকায় অমিত শাহ৷ এক সাংবাদিক মোদীকে প্রশ্ন করার ‘আবদার’ করেন৷ জবাবে অমিত বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর হয়ে আমিই উত্তর দিলাম৷’’ গোটা প্রশ্নোত্তর পর্বে নিরুত্তাপই থাকেন মোদী৷ ফলে হতাশ হন অনেকেই৷ এখন এই সাংবাদিক সম্মেলনে মোদীর থাকার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন৷

প্রশ্ন উঠছে, মোদী যখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবই দেবেন না, তাহলে তাঁকে বৈঠকে টেনে নিয়ে আসার দরকার কী ছিল?