হাওড়া: আগামী দিন হাওড়া ভ্যাটবিহীন শহরে পরিণত হবে। সেই লক্ষ্যেই এখন থেকে কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। শনিবার শরৎ সদনে মিশন ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন হাওড়া প্রকল্পের আওতায়, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেণ্ট নিয়ে এক অনুষ্ঠানে এসে একথা জানালেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়।

এদিন তিনি বলেন, ”হাওড়া শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শহর পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শহরের রাস্তায় আর কোনও আবর্জনা ফেলা হবে না। রাস্তার ধারে থাকবে না কোনও ভ্যাট। প্রত্যেক বাড়িতে সমস্ত বর্জ্য পদার্থ আলাদা করা হবে। পচনশীল বর্জ্য একটা বিনে আর অপচনশীল বর্জ্য অন্য একটি বিনে মজুত করতে হবে। আর সেটা করতে হবে বাড়ির বাসিন্দাদেরই। প্রতিদিন হাওড়া পুরনিগমের সাফাই কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে আনবে। এই জন্য প্রতিটি বাড়ি পিছু দুটি করে বিন দেওয়া হবে। এইভাবেই হাওড়া শহরকে ভ্যাটবিহীন শহরে পরিণত করা হবে। এনিয়ে শহরবাসীদেরও আরও সচেতন হতে হবে। তবেই হাওড়া শহরকে ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন করা সম্ভব হবে।”

এই বিষয়ে পুর কমিশনার বিজিন কৃষ্ণা বলেন, ”সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট আমাদের কাছেও চ্যালেঞ্জ। আমরা এই কাজেও সফল হতে পারব। শহরের প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন যে বর্জ্য ফেলেন তার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৮০০ মেট্রিক টন। এই বর্জ্য বেলগাছিয়া, বালি ও ডোমজুড়ে ফেলা হয়। ১৭ একর জায়গা নিয়ে বিস্তীর্ণ বেলগাছিয়া ভাগাড়ে কতদিন আর বর্জ্য ফেলা যাবে তা বলা সম্ভব নয়। তাই আমরা এখন থেকেই উদ্যোগ নিয়েছি। ২২ নং ওয়ার্ডকে পাইলট ওয়ার্ড চিহ্নিত করে আশাতীত সাড়া মিলেছে।”

এদিনের অনুষ্ঠানে সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, পুর দফতরের প্রধান সচিব সুব্রত গুপ্ত, হাওড়ার পুর কমিশনার বিজিন কৃষ্ণ। এছাড়াও ছিলেন ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। অনুষ্ঠানে স্কুলের পড়ুয়াদের দিয়ে হাওড়া শহরকে জঞ্জাল ও দূষণমুক্ত করে ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন শহরে রূপান্তরিত করার শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও