নয়াদিল্লি: শুনানি শেষ হলেও স্বার্থ-সংঘাত ইস্যুতে সচিন তেন্ডুলকর ও ভিভি এস লক্ষ্মণের বিষয়টি ঝুলে রইল আপাতত। বোর্ডের অ্যাডভাইসরি কমিটিতে থাকার পাশাপাশি আইপিএলে যথাক্রমে মুম্বই ও হায়দরাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে যুক্ত এই দুই প্রাক্তন ক্রিকেটার। ফলে তাদের দ্বৈত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সঞ্জীব গুপ্তা নামে মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এক আধিকারিক।

তাঁরই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সচিন ও লক্ষ্মণকে সমন করেন বিসিসিআই সিইও রাহুল জোহরি। সমনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে বোর্ডের অম্বুডসম্যান ডিকে জৈনের সঙ্গে দেখা করেন এই দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। প্রায় চার ঘন্টা ধরে স্বার্থ-সংঘাত ইস্যুতে এদিন শুনানি চলার পর সচিনের পরামর্শদাতা অমিত সিবাল জানান, ‘বোর্ডের সমনের পরিপ্রেক্ষিতে অম্বুডসম্যানের কাছে হাজিরা দিয়েছেন সচিন। প্রায় চার ঘন্টা শুনানি চলার পরেও কোনরকম নিষ্পত্তি হয়নি। ২০ মে অবধি এই প্রক্রিয়া চলবে।’

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে সব দলেই অ্যান্টি কোরাপশন অফিসার

তবে দুই ক্রিকেটারের কারোরই পুনরায় হাজিরা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে। যদিও অভিযোগের প্রত্যুত্তরে আগেই নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন দুই ক্রিকেটার। বোর্ডের অম্বুডসম্যান প্রাক্তন বিচারপতি ডিকে জৈনকে খোলা চিঠিতে সচিন লেখেন, ‘অবসর গ্রহণের পর সচিন তেন্ডুলকর মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ফ্র্যাঞ্চাইজির কোনও আর্থিক সাহায্য বা ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেনি। দলে তাঁর গুরুত্ব বিবেচনা করে অবসর গ্রহণের পর মুম্বই ফ্র্যাঞ্চাইজি তাঁকে ‘আইকন’ হিসেবে দলের সঙ্গে যুক্ত রেখেছে। অর্থাৎ খাতায়-কলমে সচিন তেন্ডুলকর মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কোনও পদে আসীন নন। দলের কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তিনি অংশ নেন না। সুতরাং বিসিসিআইয়ের নিয়মানুযায়ী বা অন্য কোনওভাবে স্বার্থ সংঘাতের প্রশ্ন নেই।’

আরও পড়ুন: সিয়েটের বর্ষসেরা ক্রিকেটার বিরাট

সচিনের সুরে সুর মিলিয়েই স্বার্থ-সংঘাতের যাবতীয় সম্ভাবনা বাউন্ডারির বাইরে পাঠান ভিভি এস লক্ষ্মণও। বরং অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সমন করায় বোর্ডকে একহাত নেন এই দুই কিংবদন্তি। তাঁদের কথায়, এব্যাপারে বোর্ডের কাছে আগেই তাঁরা লিখিত জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় এমন কোনও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়নি বোর্ডের তরফ থেকে।