নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় (central ministry) রদবদলের জল্পনা তুঙ্গে। মুকুল রায়ের (Mukul Roy) তৃণমূলে (Tmc) ফেরার দিনেই দিল্লিতে জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) । কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে (Jp Nadda) নিয়ে বৈঠকে মোদী। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে মুকুল রায়ের দলত্যাগ নিয়েও আলোচনা।

২০১৯ সালে দ্বিতীয় মোদী সরকার গঠনের পর থেকে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবল হয়নি। বেশ কিছুদিন ধরেই মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সামনেই উত্তরপ্রদেশে (Uttarpradesh) বিধানসভা ভোট। তার আগে ঝটপট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল করতে চাইছেন মোদী-শাহরা। সেই লক্ষ্যেই আজকের এই বৈঠক। উনিশে বিপুল সাফল্য নিয়ে কেন্দ্রের সরকার তৈরি করলেও তারপর থেকে বিজেপি (Bjp)-বিরোধিতার আঁচ বেড়েছে রাজ্যে-রাজ্যে। সিএএ (Caa) , এনআরসি (Nrc) নিয়ে ক্ষোভের পারদ চরমে পৌঁছেছিল একটা সময়। পরবর্তী সময়ে নয়া কৃষি আইন নিয়েও বিজেপির বিরোধিতা তুঙ্গে উঠেছে।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে কেন্দ্রের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী একাধিক পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। সেই কারণেই অনেকে দলের কাজে সময়ও কম পাচ্ছেন। এছাড়াও বেশ কিছু রাজ্যে বিজেপির বর্ষীয়ান কিছু নেতাও মন্ত্রিত্ব পাওয়ার প্রবল দাবিদার। এঁদের মধ্যে অন্যতম বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদী (Sushil Modi) । তৃতীয়বার বিহারে নীতিশ কুমারের নেতৃত্বে ক্ষমতায় এসেছে জেডিইউ-বিজেপি জোট।

তবে তৃতীয় নীতিশ মন্ত্রিসভায় উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাননি বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুশীল মোদী। তবে সুশীলকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আনতে চান মোদী-শাহরা। একইভাবে মধ্যপ্রদেশের বিজেপি নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও মোদী মন্ত্রিসভার সদস্য পদের অন্যতম দাবিদার। এমনই কয়েকজন নেতাকে কেন্দ্রের মন্ত্রী করতে তৎপরতা গেরুয়া শিবিরে। শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের ঘোষণা হতে পারে। জানা গিয়েছে, আজ সেই লক্ষ্যেই দিল্লিতে বৈঠকে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলেই কলকাতায় পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে উপস্থিতিতে ‘ঘরে’ ফেরেন চাণক্য। মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু রায়কে উত্তরীয় পরিয়ে দলে স্বাগত জানান সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মুকুল রায় দল ছাড়ায় পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া শিবিরে ঠিক কতটা প্রভাব পড়তে পারে তা নিয়েও এদিনের বৈঠকে আলোচনা। মুকুল রায়ের পরপরই আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা বাংলায় দল ছাড়তে পারে বলে গুঞ্জন তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে দল পরিচালনায় আরও কী কী তৎপরতা নেওয়া যেতে পারে তা নিয়েও শাহ-নাড্ডাদের সঙ্গে জরুরি আলোচনায় মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.