প্রতীকী ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ‘করোনা’ সংক্রমণ ঠেকাতে দেশ জুড়ে ‘লকডাউন’ চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’য়ের তরফে এই মারণ ব্যাধিকে ‘অতিমারী’ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এত সবের পরেও হুঁশ ফেরেনি এক শ্রেণীর ‘সবজান্তা’ পাবলিকের। এবার তাদের বাগে আনতে সক্রিয় ভূমিকা নিল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ।

শনিবার সকাল থেকে বাঁকুড়া শহরের প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মাচানতলায় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মীরা রাস্তায় নামা সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদের কাজ শুরু করেছেন। পথে বেরোনোর পিছনে সদুত্তর দিতে পারলে তবেই ছাড় মিলছে, না হলে তৎক্ষণাৎ বাড়ির পথে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অকারণে বেরোনো ব্যক্তিকে। ট্রাফিক পুলিশের এই ভূমিকায় খুশি শহরের সিংহভাগ মানুষ।

‘এটা কোনও রাজনৈতিক দলেল ডাকা বন্ধ নয়। মানুষ সেটা বুঝতে পারছে না’ বলেই মনে করেন শহরবাসী অরিন্দম দত্ত। ব্যাঙ্কের কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে তিনি বলেন, এক শ্রেণীর মানুষ অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন। এদিন পুলিশের ভূমিকা যথেষ্ট প্রশংসনীয় বলে তিনি জানিয়েছেন।

ট্রাফিক পুলিশের হাতে আটক জলিল মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি তো সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে রীতিমতো থতমত খেয়ে বলেন, ডাক্তারের কাছে এসেছিলাম, এবার বাড়ি চলে যাবো। বেশ কিছুক্ষণ ‘আটক’ থাকা অর্ণব চট্টোপাধ্যায় নামে এক যুবকের দাবি, বাবা কাশ্মীরে রয়েছে। তাকে টাকা পাঠাতেই মাকে নিয়ে ব্যাঙ্কে এসেছিলাম। যদিও ট্রাফিক পুলিশ বা সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি কাওকে তিনি তার দাবির সমর্থণে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেননি।