তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: দাম্পত্য জীবনের সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষে নতুন করে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন প্রায় আশির দোর গোড়ায় পৌঁছে যাওয়া ‘যুবক’ প্রভাস চন্দ্র দত্ত ও সত্তরোর্ধা ‘যুবতী’ অনিমা দত্ত। বাঁকুড়ার ইন্দাসের ডিভিসি অফিস পাড়ায় এই বিবাহ উপলক্ষ্যে আনন্দ উৎসবে মাতলেন এলাকাবাসী।

প্রভাস চন্দ্র দত্ত ও অনিমা দত্তের ৫০ তম বিবাহ বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি তিন ছেলেমেয়ে ও চার নাতি নাতনী। রবিবার সকাল থেকে বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ। বিয়ের সমস্ত আচার অনুষ্ঠান মেনে প্রভাস বাবু ও অনিমা দেবীকে বর ও কনের সাজিয়ে নতুন করে বিয়ের অনুষ্ঠান হল। যেখানে মালা বদল থেকে সিঁদুর দান বাদ গেল না কিছুই। সঙ্গে ছিল আত্মীয় স্বজন থেকে পাড়া প্রতিবেশীদের নিয়ে দেদার ভূরি ভোজের আয়োজন। আর দাদু-ঠাকুমার অভিনব এই বিয়ের অনুষ্ঠান মোবাইল বন্দী করে রাখতে নাতি নাতনিদের হুড়োহুড়ির ছবিও ধরা পড়লো আমাদের ক্যামেরায়।

কেন এমন অভিনব আয়োজন? এই প্রশ্নের উত্তরে ছেলে মানবাশিস দত্ত বলেন, একসঙ্গে ৫০ বছর পার করাটা কম কথা নয়। আমরা এই দিনটাকে স্মরণীয় করে রাখতে চেয়েছিলাম। তাই এই ধরণের আয়োজন। বাবা, মা তাঁদের সব আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে নাতি নাতনি সবাই এই বিয়েতে খুব আনন্দ করেছেন বলে তিনি জানান।

৫০ বছর পরে সহধর্মিণী অনিমা দেবীর সঙ্গে ফের নতুন করে সাতপাকে বাঁধা পড়ার পর অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মী প্রভাস চন্দ্র দত্ত বলেন, সুখে দুঃখে এক সঙ্গে থেকে ৫০ বছর পার করলাম। ছেলে, মেয়ে, জামাই, নাতি, নাতনিদের এই দিনটা খুব সুন্দর ভাবে কাটলো বলেই তিনি জানান।