গুয়াহাটি : বেশী দিন নয়। এই তো মাস খানেক আগের কথা। বিষ মদ কাণ্ডে ফেব্রুয়ারিতে মৃত্যুর কলে ঢোলে পড়েছিলেন ৪৭ জন। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন ১৬০ জন। কান্নার রোল উঠেছিল আসামের চা বাগানে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলোর বুক ফাটা আর্তনাদে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল আসাম। চারদিকে কি মলিন নিস্তব্ধতা।

মাস পেরতে না পেরতেই বেজে গিয়েছে ভোটের বাদ্যি। রাজনৈতিক নেতারা নেমে পরেছেন ভোট প্রচারে। মানুষের মন ভোলাতে তাই অন্ত নেই চেস্তার। আসামের মোট জন সংখ্যার ১৭ % বাগানের শ্রমিক।তাই ভোট প্রচারের জন্য চা বাগানকেই হাতিয়ার করে আসছেন রাজনীতিবিদরা। সস্তায় মদ পেলে মন গলবে গরীব চা শ্রমিকদের। তাই চা বাগানে ফের সরবরাহ হচ্ছে মদ। বলছেন, হলমীরা চা বাগানের বছর ৫৫’র শ্রমিক সরদার বাবলু ভুমিজি।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিষ মদ কাণ্ডের পর তারা কেউই আর এই পোড়া জিনিস ছুঁতে চান না। তাঁরা পন করেছে্ন যদি বিনা মূল্যেও এই বস্তুটি পাওয়া যায় তাহলেও তাঁরা ছোঁবেন না। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো চা বাগানের ভোট জেতার জন্য চোলাই বিতরণ করছে। এর থেকে সস্তার রাজনীতি বোধ হয় হয় না, বলছেন বাবলু।

এক সময় কংগ্রেসের ঘাঁটি ছিল আসাম। মানুষের যে সমর্থন কংগ্রেস পেয়ে এসেছে তাঁর অধিকাংশই এই চা শ্রমিকদের। শ্রমিক সরদারের ভয়ের বিষয়টি যুক্তি গ্রাহ্য। কারন ফেব্রুয়ারি মাসে যে ১৬০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে বাবলুও একজন। হালমীরায় ভোট রয়েছে ১১ এপ্রিল। ” ভোটের জন্য সব কিছু করতে পারেন নেতারা। রাজনৈতিক দলগুলির জন্যও চা বাগানে অব্যহত মদ্যপানের অভ্যেস। ‘ বলছেন তিনি।

এ রাজ্যের অমিত শাহ ইতিমধ্যেই কলিয়াবরে এক পদ যাত্রায় সামিল হয়েছেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও