ফাইল ছবি। ঘটনার সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

কলকাতা: তিন বছরের ফাঁড়াকে ভোট হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফেব্রুয়ারির ৯ তারিখ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের ভোট। তবে এই প্রথমবার রাষ্ট্রীয় স্বয়মসেবক সংঘের আওতাভুক্ত অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এভিবিপি) প্রার্থী দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্বাচনে, যা মূলত বাম রাজনীতির আখড়া হিসেবেই পরিচিত।

ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আর্টস ফ্যাকালটির যুগ্ম সচিব শ্যামশ্রী কর্মকার জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এভিবিপি সেন্ট্রাল প্যানেলের জন্য প্রার্থী দিয়েছে।

সেন্ট্রাল প্যানেলে দু’জন চেয়ারপার্সন, দু’জন সাধারন সম্পাদক এবং চারজন অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি রয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

আসন্ন নির্বাচনে, এভিবিপি ক্লাস প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্যও প্রার্থী দিয়েছে। রাইট-উইং দল এবং সিপিআইএম এসএফআইকে আর্টস ফ্যাকালটি ৪০ আসনের এই লড়াইতে সমর্থন জানিয়েছে। পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও এই একই আসনে লড়াই হবে বলেও জানা গিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে।

অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কলা বিভাগের চেয়ারপার্সন শুভদীপ কর্মকার জানিয়েছেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মানে বামেদের জায়গা তা নয়। ন্যাশন্যালিস্টদের হার বাড়ছে এবং আমরা আশাবাদী যে ভালো কাজ করব”।

তিনি আরও বলেন, বাম ঘেষা ছাত্রদের ঘেরাও কর্মসূচি এবং দেশবিরোধী স্লোগানে সাধারণ ছাত্ররা বিরক্ত, তারা পরিবর্তন চাইছে”।

স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইণ্ডিয়া বা এসএফআই যদিও তাঁদের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছে। এসএফআই নেতা দেবরাজ দেবনাথ জানিয়েছেন, “ডানপন্থী দলগুলি কখনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদারমনষ্কতাকে কবজা করতে পারবে না”।

এসএফআইয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ক্যাম্পাস চত্বরে সাধারণ ছাত্রদের সিএএ বিরোধি আন্দোলনে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ স্বতস্ফুরত, সেই ছবি প্রমাণ করেছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কোনও জায়গা নেই।

অল-ইণ্ডীয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের ভোটে লড়ছে বলেই জানা গিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ