স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল অষ্টম শ্রেণী পাশ। কাজ, হাতি তাড়ানো বা বনভূমির পাহারাদার। তাও চুক্তিভিত্তিক চাকরি। মাসিক ভাতা ১০ হাজার টাকা। সেখানে আবেদন করলেন রাজ্যের বহু পিএইচডি, এমএসসি, এমএ পাশ যুবকরা। শূন্যপদ দু’হাজার কিন্তু আবেদনের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০ লক্ষ। পদের নাম বন সহায়ক।

অষ্টম শ্রেণী পাশ যোগ্যতার চাকরিতে আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট দেখে চক্ষু চড়কগাছ বনকর্তাদের। বনদফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এই প্রথমবার সিভিক ভলান্টিয়ারের ধাঁচে বন সহায়ক পদে নিয়োগ করা হবে। কিন্তু এর জন্য যে এত সংখ্যক আবেদন জমা পড়বে, তা ভাবতেই পারছি না।’ যোগ্যতার বিচারেও কাকে রাখবেন আর কাকে বাদ দেবেন, তা নিয়েও কপালের ভাঁজ চওড়া হচ্ছে বনকর্তাদের।

প্রার্থী বাছাই করবে তিন সদস্যের একটি ইন্টারভিউ বোর্ড। সেই বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে দু’জন ডিএফও এবং একজন চিফ কনজারভেটর অব ফরেস্ট থাকবেন। পুরুলিয়ার জেলা বন দফতর সূত্রে খবর, পুরুলিয়া জেলাতেই লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়েছে। বহু উচ্চ শিক্ষিত যুবকও আবেদন করেছেন। ঘটনা হল অঙ্কের হিসাবে এক অদ্ভুত তথ্য মিলছে।

যারা ইন্টারভিউ নেবেন তাঁরা প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা পরীক্ষা নেন। তাঁরা এই সময়ে সর্বাধিক ১০০ জনের ইন্টারভিউ নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে শুধু পুরুলিয়া জেলায় আবেদনকারীদের ইন্টারভিউ নিতে একহাজার দিন লেগে যাবে। পরীক্ষকরা জানাচ্ছেন , ‘আমরা সমস্যার কথা জানিয়ে ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে ইন্টারভিউ বোর্ডের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছি।’ রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আবেদনকারীর সঠিক সংখ্যা স্ক্রুটিনির পর জানা যাবে। ইন্টারভিউ বোর্ডের সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে। দরকার হলে শনি, রবিবারও ইন্টারভিউ নেওয়া হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.