ফাইল ছবি

তিরুঅনন্তপুরম: শুক্রবার কেরলে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা ভারত তো বটেই, সেই সঙ্গে সারা বিশ্বকেও নাড়া দিয়েছে। চর্চা শুরু হয়েছে বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে। এরই মাঝে একটি পরিসংখ্যান হাতে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে প্রায়ই বিমান দুর্ঘটনার জেরে বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে।

কেরলের কোঝিকোড়ের ঘটনায় বিমানে ছিলেন ১৯০ জন যাত্রী। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিমানের পাইলট ও কো-পাইলট। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ৩৫ ফুট উঁচু থেকে পড়ে যায় বিমানটি। আর তার ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিশ্বব্যাপী বিমান দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি

একটি পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, বিশ্বব্যাপী ৪ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ প্লেনের টিকিট বুক করেন। যদিও করোনা সময়কালে তা তলানিতে এসে ঠেকেছে, কারণ এখন উড়ান বন্ধ রেখেছে অনেক দেশ। পরিসংখ্যান বলছে গত ১৫ বছরে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৮০০০ মানুষের।

বিমান দুর্ঘটনায় কোন সালে কতজন মারা গেলেন?

২০০৬ সালে ৯০৫ জন, ২০০৭ সালে ৭৭৪ জন, ২০০৮ সালে ৫৯৫ জন, ২০০৯ সালে ৭৬৩ জন, ২০১০ সালে ৯৪৩ জন। ২০১১ সালে ৫২৫ জন, ২০১২ সালে ৪৭৭ জন, ২০১৩ সালে ২৩২ জন, ২০১৪ সালে ৬৯২ জন, ২০১৫ সালে ১৮৬ জন, ২০১৬ সালে ২৫৮ জন, ২০১৭ সালে ৫৯ জন, ২০১৮ সালে ৫৬১ জন, ২০১৯ সালে ২৮৭ জনের মৃত্যু হয়।

আপাতত ২০২০ সালে পাকিস্তানের করাচি শহরের কাছে এয়ারবাস এ৩২০ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, মৃত্যু হয় ৯০ জনের। অন্যদিকে কেরলের বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ১৮ জনের। এর আগে ইউক্রেনীয় এয়ারলাইন্সের বিমান ইরানের রাজধানী তেহরানে ভেঙে পরে, মৃত্যু হয় ১৭৬ জন যাত্রীর।

কোন বিমান দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছিল

বিশ্বে সবচেয়ে প্রাণহানি ঘটেছিল ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বরের বিমান দুর্ঘটনায়। সেদিন সৌদি আরবের ফ্লাইট নম্বর -৭৬৩ এবং কাজাখস্তান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট নম্বর -১৯০৭ ভারতের হরিয়ানার আকাশে ধাক্কা খায়। এই দুর্ঘটনায় ৩৯৯ জন মারা গিয়েছিল।

দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি বসে। তাঁরা তদন্ত করে রিপোর্টও জমা দেয়। এর পর থেকে বিমানের ট্র্যাফিক সুরক্ষা এবং আকাশে বিমানের উড়ানের বিষয়ে বিশ্বে অনেক নিয়ম মেনে চলা হয়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও