ফাইল ছবি৷

ইসলামাবাদ: সন্ত্রাসকে মদত দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা বন্ধ রেখেছে ভারত৷ কিন্তু কর্তারপুর করিডরের কারণে মুখোমুখি হতে চলেছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা৷ আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে হবে সেই বৈঠক৷ কিন্তু তার আগে খালিস্তানপন্থী নেতা গোপাল সিং চাওলার সঙ্গে দেখা করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান৷ দুই নেতার মধ্যে এই সাক্ষাত চিন্তা বাড়িয়েছে ভারতের৷

কর্তারপুর করিডরের মাধ্যমে ভারত থেকে তীর্থযাত্রীরা পাকিস্তানের গুরুদ্বারাতে যেতে পারবেন৷ এই করিডরের অপব্যবহার নিয়ে সচেতন ভারত সরকার৷ গোয়েন্দাদের রিপোর্ট বলছে, এই করিডরকে খলিস্তানপন্থী নেতারা ব্যবহার করতে পারে৷ এই করিডর দিয়ে জঙ্গিদের ভারতে পাঠাবে তারা৷ ফলে পঞ্জাবে ফের মাথাচাড়া দিতে পারে খলিস্তান আন্দোলন৷ বৃহস্পতিবার কর্তারপুর করিডর নিয়ে দুই দেশের আলোচনায় যখন বসার কথা তখন ইমরান খানের সঙ্গে খলিস্তানপন্থী নেতার সাক্ষাত নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে৷

গোপাল সিংয়ের সঙ্গে পাক সেনাপ্রধান

কর্তারপুর করিডরে যাতায়াতের নিয়মকানুন চূড়ান্ত করতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। আটারি-ওয়াঘা সীমান্তের ভারতীয় এলাকায় এই বৈঠক হওয়ার কথা। পুলওয়ামা হামলার পর উত্তেজনার আবহে প্রথম দুই দেশ মুখোমুখি হবে৷ প্রস্তাবিত কর্তারপুর প্রকল্পটির নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে৷ ভারতের পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলা থেকে পাকিস্তানের কর্তারপুরে গুরুদ্বার দরবার সাহিব পর্যন্ত দীর্ঘ চার কিলোমিটার হবে করিডরটি৷

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের বর্তমান নারোয়াল জেলার কর্তারপুরে গুরুদ্বার দরবার সাহিব স্থাপন করেন শিখ ধর্মগুরু নানক দেব। ভারতের পাঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলা থেকে মাত্র ৪কিলোমিটার দূরে রবি নদীর তীরে কর্তারপুরে এই গুরুদ্বার অবস্থিত। শিখদের বিশ্বাস, কর্তারপুরের গুরুদ্বারেই গুরু নানকের মৃত্যু হয়। সেই কারণে এই স্থান তাদের কাছে এত মাহাত্ম্যের৷