ওয়াশিংটন: দীর্ঘদিন তল্লাশি চালানোর পর পাকিস্তানের মাটিতে খোঁজ মিলেছিল বিশ্বের মোস্ট ওয়ান্টেন জঙ্গি ওসামা বিন লাদেনের। ২০১১-তে তাকে খূঁজে বের করে হত্যা করে আমেরিকা। পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের তাকে খুঁজে পাওয়ার পরও পাকিস্তান বারবার দাবি করে এসেছে যে তারা জানতই না যে পকিস্তানে ছিল লাদেন। কিন্তু মার্কিন সফরে গিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী যা বললেন, তাতেই ফাঁস হল সত্যিটা।

মার্কিন সফরে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গেও দেখা করেছেন ইমরান খান। আর সেখানেই তিনি কার্যত স্বীকার করে নেন যে পাকিস্তানের কাছেই ছিল লাদেনের খবর।

আমেরিকায় গিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-ই মার্কিন গোয়েন্দাদের হাতে লাদেনের উপস্থিতির ব্যাপারে তথ্য তুলে দিয়েছিল। আর সেই তথ্যের ভিত্তিতেই খুঁজে বের করা হয়েছিল লাদেনকে। ইমরান খান এক সাক্ষাৎকারে বলেন, লাদেনের ফোনের কানেকশন ধরে আইএসআই তার সন্ধান দিয়েছিল।

জানা যায়, এক পাকিস্তানি চিকিৎসক শাকিল আফ্রিদি লাদেনের কথা বলে দিয়েছিলেন বলে তাকে জেল বন্দি করেছিল পাকিস্তান। এখনও পর্যন্ত বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে কবে ছাড়া হবে সে ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ইমরান খান বলেন, আইএসআই লাদেনের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য তুলে দিয়েছিল সিআইএ-র হাতে। সিআইএ-কে জিজ্ঞাসা করলেই জানা যাবে যে আইএসআই কীভাবে তথ্য দিয়েছিল। তবে ওই চিকিৎসকের মুক্তির বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া দেননি তিনি।

ইমরান খান বলেন, আফ্রিদির বিষয়টা আলাদা কারণ, তাকে পাকিস্তান মার্কিন চর হিসেবে গণ্য করে।
পাক প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পাকিস্তান সবসময়ই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য বরাবরই আমেরিকাকে সাহায্য করেছে। পাকিস্তান থেকে লাদেনকে খুঁজে বের করা সেই দেশের জন্য লজ্জাজনক ঘটনা ছিল বলে উল্লেখ করেন ইমরান খান।

তাঁর দাবি, পাকিস্তান আমেরিকাকে বন্ধু মনে করলেও আমেরিকা তাঁদের বিশ্বাস করে না।