বিশেষ প্রতিবেদন: ভারত সফরের আগের দিন হঠাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সংবাদমাধ্যমে খবর যে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চোখের চিকিৎসা কেমন চলছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বা কূটনীতি নিয়ে যারা চর্চা করেন তাঁরা বিষয়টিকে খালি চোখেই দেখতে পেয়েছিলেন।

সারা বিশ্বে জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে মিথ্যা কথা প্রচার করতে গিয়েছিলেন ইমরান। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ইমরানের মিথ্যা প্রায় সকলে দেশই ঝেড়ে ফেলেছে। উপরন্তু, পরমাণু বোমার হুমকি দিয়ে বিপাকে পড়েছেন ইমরান নিজেই। সারা পৃথিবী ছি-ছি করেছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সমর্থন আদায় করতে নেমেছে ইমরান। হাসিনাকে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চাপ দিতে বদ্ধ পরিকর তিনি।

কারণ পাকিস্তানে ভয়ানক চাপ। সেনা প্রধান কমর জাভেদ বাজওয়া ইমরানকে ভালো চোখে দেখছেন না। যেকোন মুহূর্তেই সেনা অভ্যুত্থানে ইমরান বন্দী হতে পারেন। কিন্তু ইমরানের হতাশ হবার কারণ রয়েছে। শনিবার শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদী দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

হাসিনার সঙ্গে দেখা করে ভারত-বাংলাদেশ পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চেয়েছেন তিনি। এই আলোচনার কথা টুইট করেছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রাভীশ কুমার। টুইটে তিনি লিখেছেন, ভারত প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ‘সর্বোচ্চ গুরুত্ব’। হাসিনার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, উপদেষ্টা গওহর রিজভী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এরপর প্রধানমন্ত্রী।নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেন হাসিনা। ইসলামাবাদ থেকে বসে এই অস্বস্তিকর দৃশ্য দেখতে হচ্ছে ইমরানকে।