মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি যাবতীয় পার্থিব মায়া ত্যাগ করে আধ্যাত্মিক সাধনার জন্যে গৃহ থেকে বেরিয়ে যান। জৈন সম্প্রদায়ের কাছে মহাবীর জয়ন্তী একটি বিশেষ বড় উৎসব। মহাবীরের জন্মদিন উদযাপন করা হয় এই দিনটির মধ্যে দিয়ে। জৈন ধর্মের সর্বশেষ ও ২৪ তম তীর্থঙ্কর ছিলেন মহাবীর। এই বছর ২৫ শে এপ্রিল পড়েছে অর্থাৎ রবিবার পালিত হবে এই দিনটি।

হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী প্রতি বছরই চৈত্র মাসের ১৩ তম দিনে মহাবীরের জন্মতিথি পালন করা হয়। প্রতি বছর মহা সমারোহে দিনটি পালন করা হলেও এই বছর তা আলাদা কারণ এই বছর করোনার প্রভাবে জমায়েত বা অনুষ্ঠানে সবক্ষেত্রেই ছেদ পড়েছে। তবে দিনটি কী করে এতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো সেটা অনেকেই জানেন না। নিচে এই দিনটির তাৎপর্য জানানো হলো আপনাদের জন্যেই।

মহাবীর তার গোটা জীবনে প্রেম, অহিংসার বাণী প্রচার করেছেন এই ধর্মের মাধ্যমে। হিংসে ও অশান্তিতে ভরা এই দুনিয়ায় শান্তির দূত হিসেবে তাকে বিবেচনা করেন জৈনরা। সততা ও সাধারণ জীবনযাত্রা পালনের ও লোভ ত্যাগ করার নীতিবাক্য জানতে পারি আমরা মহাবীরের এই ধর্ম ও তার বাণীগুলি থেকে। শুধুই যে ভারত তা নয়, তার জীবিত অবস্থায় ও তার মৃত্যুর পর তার শিষ্যদের দ্বারা এই ধর্ম ও এর নীতিগুলি সারা বিশ্বে পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছে। ভারতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখে গেছেন তা এখনো অনেক ক্ষেত্রেই অনুসরণ করা হয়।

আরো পোস্ট- মহাবীর জয়ন্তী: অতিথিদের মন ভরাবে “সাবু দানার ক্ষীর”

বিশেষত, শিক্ষা ক্ষেত্রে বৃত্তিদানের এক প্রাচীন প্রথা জৈনদের থেকেই চালু করা হয়েছিল। জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা মহাবীর জীবন যাপনের ক্ষেত্রে অহিংসা, সত্য, চুরি না করা, ইন্দ্রিয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা এবং সংসারে অনাসক্তি – এই ৫ ব্রত পালনের শিক্ষা দিয়েছিলেন তার শিষ্যদের। যেকোনো ধরনের জীব হত্যার বিরুদ্ধেও কণ্ঠ ছেড়েছিলেন তিনি।

মহাবীরের মূর্তি নিয়ে রথযাত্রা বের করে ভজন ও গানের মাধ্যমে মহাবীরের বাণী প্রচার করা হয় এই দিনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.