চলছে রমজান মাস। এই একমাস মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষরা প্রত্যেকদিন দীর্ঘ উপবাস পালন করে সন্ধ্যের আজানের পর ইফতারের মাধ্যমে নিজের উপবাস ভঙ্গ করেন। সমগ্র পৃথিবীর মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষদের মধ্যে হজরত মহম্মদের দেখানো পথে খেজুর খেয়ে রমজানের উপবাস ভঙ্গ করার একটা রীতি আছে।

খেজুরে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিকর পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, এবং চিনি জাতীয় পদার্থ সারাদিনের দীর্ঘ উপবাসের পর শক্তি ও পুষ্টির যোগান দেয়। এছাড়াও খেজুরের আরও অনেক শারীরিক গুণাগুণ রয়েছে। খেজুরে উপস্থিত ভিটামিন, খনিজ পদার্থ, ও প্রচুর পরিমাণ ফাইবার রয়েছে যা শরীরের জন্য উপকারী।
খেজুরে উপস্থিত ফাইবার ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অন্যান্য ভাবে শরীরের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে। খেজুরে উপস্থিত ফ্ল্যাবনয়েড খুব শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের প্রদাহ কমাতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে, অ্যালজাইমার রোধে ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। খেজুরে উপস্থিত ক্যারিটিনোয়েড হার্ট ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা রোধে উপকারী। এছাড়াও খেজুরে উপস্থিত প্রচুর পরিমাণ ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে ও অস্টিওপরসিস জাতীয় রোগ নিরাময় করে।

বাজারে বিভিন্ন ধরনের খেজুর পাওয়া যায়। তার একধরনের গুণাগুণ এক এক রকম। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলির গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

সফাউই খেজুর: এই ধরনের খেজুর কলমি খেজুর হিসেবেও পরিচিত এবং খুবই সহজলভ্য। এই খেজুর দেহে কার্বোহাইড্রেটের যোগান দেয়। ফলে যাঁরা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এই ধরনের খেজুর অনেক উপকারী। কিন্তু যারা ওজন কমাতে চান তারা এড়িয়ে চলুন।

আজয়া খেজুর: এই ধরনের খেজুর কালো রঙের হয়। এতে প্রচুর পরিমাণ আইরন, পটাসিয়াম থাকে। এই খেজুর ভিটামিন ডি সম্বৃদ্ধ। যাঁদের রক্তাল্পতা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে তাদের জন্য উপকারী।

সুক্কারি খেজুর: এই ধরনের খেজুর মূলত সৌদি আরবে পাওয়া যায় । এতে ক্যালসিয়াম থাকে। যাদের অস্টিওআর্থ্রাইটিস আছে তাদের জন্য উপকারী।

খুদ্রি খেজুর: এই ধরনের খেজুরে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম। ফলে যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্যে খুবই উপকারী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.