স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: জেলায় নেই কোনও কোয়ালিটি টেস্টিং ইউনিট৷ যার ফলে সরাসরি মালদহের আম বিদেশের বাজারে যেতে পারছে না৷ এই সমস্যার মধ্যে নতুন করে নিপা ভাইরাসের প্রভাব পরেছে মালদহের আমের বাজারে৷

বিদেশে রপ্তানি বন্ধের পাশাপাশি দেশীয় বাজারেও আমের চাহিদা নেই৷ ফলে দুর্ভোগে পড়ছে মালদহ জেলার আম চাষিরা৷ এই বিভ্রান্তি দূর করতে মালদহর জেলাশাসককের দ্বারস্থ হলেন জেলার দুই সাংসদ মৌসম বেনজির নুর ও আবু হাসেম খান চৌধুরী৷

আরও পড়ুন: আম উৎসব পালিত হচ্ছে বীরভূমে

ভারতবর্ষে আম উৎপদনের অন্যতম হল মালদহ জেলা৷ এই জেলায় এবছর প্রায় ৩১ হাজার হেক্টর জমি আম চাষ হয়েছে৷ ঝড় বৃষ্টিতে বেশ কিছু আমের ক্ষতি হয়েছে৷ তার পাশাপাশি নিপার আতঙ্ক গ্রাস করেছে জেলার অর্থকারী ফসল আমের৷ ফলে আতঙ্কিত আম চাষিরা৷ এই জেলার ইংরেজবাজার, রতুয়া, হরিশ্চন্দ্রপুর সহ একাধিক এলাকায় আম চাষ হয়৷ এই আমের চাহিদা নেপাল ভুটান শ্রীলঙ্কাতেও যথেষ্ট রয়েছে৷

এক আম চাষি তরুন দাস জানিয়েছেন, এবছর নিপার আতঙ্ক আম বিক্রেতাদের সমস্যায় ফেলেছে। এর জেরে মালদহর আম বাইরে তো দূরের কথা জেলাতেও আমের চাহিদা নেই। ফলে এবছর আম চাষে লাভের মুখ দেখা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি উদ্যান পালন দফতরের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। তবে এভাবে চলতে থাকলে আগামী বছর আম চাষ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: গরুর সঙ্গে সঙ্গমে বাধ্য করে ব্ল্যাকমেলিং

সাংসদ মৌসম বলেন, এই বিভ্রান্তি কর প্রচারের জন্য মালদহর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে আম চাষিদের সকলেরই আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। জেলার রপ্তানিকারকদের আম বাংলাদেশে রপ্তানি করতে হচ্ছে৷ কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হচ্ছে না৷ অবিলম্বে এই বিভ্রান্তি দূর করতে এদিন জেলা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছে তাঁরা৷

উদ্যান পালন আধিকারিক রাহুল চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আম গরম জলে ধুয়ে খেলে কোন জীবাণু ছড়ানোর সম্ভবনা নেই৷ পাশাপাসি আম চাষিদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে৷ বাংলাদেশে আম রপ্তানি কিছুটা কমে গিয়েছে৷ তাই দুবাই, আবুধাবি, রিয়াদ সহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷ মালদহ জেলায় যদি কোয়ালিটি টেস্টিং ইউনিট থাকতো তাহলে ইংরেজবাজারের ম্যাঙ্গো মার্কেট হত সবচেয়ে বড়ো আম মার্কেট৷

আরও পড়ুন: শিয়ালদহ শাখায় বিপর্যস্ত রেল পরিষেবা, বন্ধ ট্রেনের বুকিং

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.