স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আজ বিজয়া দশমী৷ দেবীর আগমনের পর বিদায়ের পালা৷ উমার বিদায়ে মন খারাপ বাঙালীর৷ মন্ডপের পর উৎসব মুখর মানুষের অভিমুখ এখন গঙ্গার ঘাট৷ গঙ্গার ঘাটে ঘাটে চলছে বিসর্জন৷ রয়েছে প্রশাসনের নজরদারি৷ এবছর শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত চলবে বিসর্জন৷ তবে পুজো কার্নিভালে যারা অংশ নিবে তাদের প্রতিমা কার্নিভালের পর বিসর্জন করা হবে৷ রেড রোডে কার্নিভাল হবে ২৩ অক্টোবর৷

শুক্রবার গঙ্গার ঘাটে ঘাটে বিসর্জন শুরু হলেও এদিন সাধারণত বনেদি বাড়ী,বাড়ির পুজো ও কিছু বারোয়ারি পুজোর প্রতিমার বিসর্জন চলছে৷ প্রতিবছর প্রথা মেনে দশমীর দিনই বাড়ির প্রতিমা বিসর্জন হয়৷ বেশিরভাগ প্রতিমা বিসর্জন হবে ২১ ও ২২ অক্টোবর অর্থাৎ রবিবার ও সোমবার৷ কলকাতা পুলিশ এবারও বিসর্জনের সময় ডিজে বাজানোয় ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে৷ এমনকি বাজানো যাবে না তারস্বরে মাইকও৷

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, বিসর্জনের সময় গঙ্গার ঘাটগুলিতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ২৪ টি ঘাটে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে৷ নজরদারি করছে রিভার ট্রাফিক পুলিশও৷ ঘাটে রয়েছে ক্লোজড সার্কিট টিভি৷ কিছু ঘাটে তৈরি করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার৷ সেখান থেকেও নজরদারি চলছে৷ এছাড়াও ঘাটগুলিতে রয়েছে লঞ্চের ব্যবস্থা৷ প্রস্তুত রয়েছে ডুবুরি ও বিপর্যয় মোকাবিলা দল৷

কলকাতা মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার জানালেন, বিসর্জনের সময় পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভারও বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করেছে৷ পুরসভার প্রায় ৫০০ কর্মী গঙ্গার ঘাটে মোতায়েন থাকবেন৷ পুরসভার ৪৫টি গাড়ি ২৪ ঘণ্টা কাজ করবে৷ প্রতিমা বিসর্জনের সঙ্গে সঙ্গে জল থেকে কাঠামো তুলে ফেলা হবে৷ যাতে গঙ্গা দূষণ না হয়৷