প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি:  আমফানের স্মৃতি এখনও টাটকা। বাংলার বহু জায়গাতে এখনও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আমফানের ধ্বংসস্তুপ। ভেঙে রয়েছে গাছ, বাড়ি। গ্রামের দিকে বহু মানুষ এখনও গৃহহীন, বিদ্যুৎহীণ। দিনের পর দিনে এভাবেই কাটাচ্ছেন। যদিও দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে জেলা প্রশাসনের তরফে। এত বড় বিপর্যয় সহজে সেরে ওঠা সম্ভব নয়। চেষ্টা চলছে। আর এরই মধ্যে ফের একবার ঘুর্ণীঝড়ের ভ্রকুটি। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে সতর্ক করেছে মৌসম ভবন।

মৌসম ভবন জানাচ্ছে, ওডিশার উপকূলে তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত। সেটি ধীরে ধীরে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন আবহহাওয়াবিদরা। তবে এই সাইক্লোনের অভিমুখ কোন দিকে তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না বলেই জানাচ্ছে মৌসম ভবন।

তবে আগামী তিন দিনের মধ্যে তার গতিপ্রকৃতি স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে এটি সাইক্লোনের রূপ নেবে কিনা। পাশাপাশি বোঝা যাবে এর অভিমুখও। তবে সতর্ক হিসাবে ওডিশাকে ইতিমধ্যে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

আজ সোমবার মৌসম ভবনের তরফে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আবহাওয়াবিদরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, উত্তর ওডিশা ও সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের ০.৯ কিলোমিটার থেকে ৭.৬ কিলোমিটার উপরে দক্ষিণের দিকে ঝুঁকে অবস্থান করছে।

আগামী ৭২ ঘন্টায় সেটি ধীরে ধীরে সেটি উত্তর-পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এই আশঙ্কার কথা জানানোর সঙ্গে সঙ্গে নতুন শঙ্কার কালো মেঘ তইউরি হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন আগেই আছড়ে পড়ে সুপার সাইক্লোন আমফান। বাংলার পাশাপাশি, ওডিশাতেও কার্যত ধ্বংসলীলা চালায় এই ভয়ঙ্কর ঝড়। ফের একবার আতঙ্ক বাড়িয়ে কি তাহলে আছড়ে পড়তে চলেছে সাইক্লোণ? অপেক্ষ ৭২ ঘন্টার। প্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে মৌসম ভবন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।