নয়াদিল্লি : মার্চ থেকে মে এই গ্রীষ্মের সময়ে উত্তর ভারতে ব্যাপক গরম পড়তে পারে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর তাঁদের গ্রীষ্মকালীন পূর্বাভাসে এমনটাই জানিয়েছে। বিগত দুই বছর ধরে বর্ষার পাশাপাশি কেমন গরম পড়তে পারে সেই পূর্বাভাসও দিচ্ছে হাওয়া অফিস। সেই পূর্বাভাসেই এই নয়া তথ্য দেওয়া হয়েছে।

মৌসম ভবনের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ে স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেশি থাকবে। চণ্ডিগড় ও দিল্লিতে তাপমাত্রা ৬০ শতাংশ বেশি থাকবে। ওডিশা, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ডেও স্বাভাবিকের থেকে ০.৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেশি থাকবে। ছত্তিশগড়ে তাপমাত্রা ৭৫ শতাংশ বেশি থাকবে।

উত্তর ভারতের একাধিক জায়গা যেমন থাকবে গরম, তেমনই পশ্চিম ও পূর্ব ভারতের বহু জায়গা থাকবে গ্রীষ্মের দাপট। গুজরাটে যেমন গরমের দাপট থাকবে তেমন উপকূলর্তী মহারাষ্ট্রে প্রবল ঝড়ের দাপট থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও উপকূলবর্তী অন্ধ্রপ্রদেশ ও গোয়ায় এই তাপমাত্রার দাপট বাড়বে বলে খবর।

এদিকে একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে বাংলার জন্যও। মার্চ থেকে মে এই সময়কালে বাংলার দক্ষিণ অংশে অর্থাৎ দক্ষিণবঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় স্বাভাবিকের থেকে অল্প কম থাকবে। উত্তরবঙ্গে তা সামান্য বেশি হবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গে স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি থাকবে। উত্তরবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের নীচে থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

এদিকে মার্চ মাসের দ্বিতীয় দিন থেকেই সেই পূর্বাভাস মিলতে শুরু করেছে। কলকাতার এদিনের তাপমাত্রায় তা স্পষ্ট। সকাল থেকে দুপুর কয়েকদিন যেমন দুপুরে গলদঘর্ম পরিস্থিতি হচ্ছিল আজ বুধবার তেমনটা হয়নি। সকালের দিকে ঠাণ্ডা হাওয়ায় শহরবাসীকে হালকা চাদর শীতে হয়েছে। মেঘ সরতেই ঠাণ্ডা হাওয়ার জেরে সকাল থেকেই যে অস্বস্তিকর গরম গত কয়েকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল তা কিছুটা কমে এদিন।

বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সঙ্গে সকাল থেকেই আজ পরিস্কার আকাশ। রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে বাড়বে গরমের দাপট। সঙ্গী হবে বিশ্রী ঘামও। কারণ, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ২৪ শতাংশ। রবিবারে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে থেকেই এমন হাঁসফাঁস অবস্থার মুখোমুখি হয়েছে রাজ্যবাসীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।