কলকাতা: বাংলা গানের জগতে তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তাই পুজোর সময়েও যে ইমন চক্রবর্তীর ব্যস্ততার বহর কম থাকবে না তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু কলকাতার পুজো মণ্ডপে এবার শুধু তাঁর রেকর্ডই শোনা যাবে। কারণ ইমন পুজোয় পাড়ি দিচ্ছেন আমেরিকা।

কলকাতা ২৪x৭ থেকে ইমনকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, পুজোয় এখানে থাকা হচ্ছে না। পুজোয় পর পর আমেরিকায় শো রয়েছে। তাই পুজোর আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাড়ি দিচ্ছেন তিনি। ফিরছেনও পুজোর পরে।

কিন্তু পুজোয় কলকাতা ছাড়ছেন বলে ফ্যাশনের সঙ্গে ইমনের আপোশ নেই। এমনিতেই শুধু গান নয়। তাঁর ফ্যাশনের ভক্তও রয়েছে অনেক। ইমন জানান, “সারা বছরই কেনাকাটা হতেই থাকে। তবে পুজোর দিনগুলোর জন্য বেশ কয়েকটা দারুণ শাড়ি কিনেছি। আর রোজকার ক্যাশুয়াল পোশাকও কিনেছি।”

পুজোয় খাওয়া দাওয়া করলেও গানের গলা সুস্থ রাখা, শারীরিক ভাবে ফিট থাকার বিষয়ে বেশ সচেতন ইমন। এই প্রসঙ্গে শিল্পী বলেন, “পুজোয় তো এবার এখানে থাকছি না। আর বাইরে গেলে এমনিতেই খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম হয়। দেশে থাকলে অত নিয়ম মানি না। কিন্তু বাইরে থাকলে খাওয়া দাওয়া নিয়ে সতর্ক থাকি।”

ইমনের অনুরাগী কত, তা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই বোঝা যায়। কিন্তু পুজো মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে গিয়ে ইমনেরও ভালো লেগে যায় অনেককেই। পুজো প্রেম নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে গায়িকা অকপট জানান, “পুজো প্রেম তো সারা বছরই থাকে। আগে মণ্ডপ ঘুরতে গিয়ে বেশি মজা হতো। এখন তো কারও দিকে তাকাতে গেলেও ১০ বার ভাবতে হয়। ‘বাবা! ইমন দেখল‍!’ ব্যাপারটা এরকম হয়। কিন্তু কারোকে দেখতে ভাল লাগলে চুপিসারে ঠিক দেখে নিই। জানতে না দিয়ে দেখি। কিন্তু দেখে নিই।”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ‘গোত্র’ ছবিতে ইমনের গাওয়া ‘রঙ্গবতী’ শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। এবার পুজো মণ্ডপেও যে এই গান বাজবে তা বলাই বাহুল্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.