স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : এবারের ঈদ হবে অনারম্বর। এমনটাই জানাচ্ছেন রাজ্যের ইমাম অ্যাসোসিয়েশন। কীভাবে ? সেই উপায়ও বলে দিয়েছে ইমামদের সংগঠন।

 

তাঁদের আবেদন, ‘এই সময়ে মুসলমানরা যেন বিশেষ কারণ ছাড়া কোনও অবস্থাতেই হাট বাজারে না যান। আমরা মসজিদের দিকে না গিয়ে মনে কষ্ট শিকার করে বাড়িতেই নামাজ আদায় করছি, তাহলে কেন রমজান বা ঈদের কেনাকাটার জন্য বাজারে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে পারবো না ?’ আরও আবেদন , ‘ঈদুল ফিতর আরম্বরহীন ভাবে উদযাপন করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও ফজুল খরচ থেকে বাঁচতে হবে। কিছু অর্থ ভবিষ্যতের জন্য বাঁচিয়ে রাখুন।’

 

ইমামরা আরও জানাচ্ছেন , ‘মন না চাইলেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তারাবিহ এর নামাজ ও জুমআর নামাজ মসজিদে আদায় করাকে সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। লোকেরা বাড়িতেই নামাজ আদায় করছেন। তৃতীয় পর্যায়ে লকডাউন আবার বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো কোনো জায়গায় ও ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়কে বিবেচনায় রেখে মুসলিম মিল্লাতের নেতৃস্থানীয়দের তরফ থেকে পুনরায় আবেদন জারি করা হচ্ছে।’ এই আবেদনে মুসলিম সংগঠনের মানুষরা ইতিবাচক সাড়া প্রদান করবেন , এই আশা করছেন ইমামরা

 

ইমামরা জানাচ্ছেন, ‘বিশ্বব্যপী করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমন মানব সভ্যতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ও পরীক্ষা হিসাবে দেখা দিয়েছে। আমাদের দেশেও সংক্রমণের ক্রমবর্ধমান পরিসংখ্যান এবং আগামী দিন গুলিতে তার দ্রুত বিস্তারলাভের যে আশংকা করা হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগের। এই পরিস্থিতিতে সারাদেশে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। কিছু দিন পূর্বে পবিত্র রমজান মাসের বিশেষ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে রাজ্যের দ্বীনি সংগঠন সমূহের দায়িত্বশীল বর্গ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে বিশেষ আবেদন করা হয়েছিল। মুসলমানেরা রাজ্য ব্যাপী তা মেনে চলছেন।’

 

পাশাপাশি তাঁরা এও জানাচ্ছেন, ‘কেন্দ্র লকডাউন নিয়ে কি সিদ্ধান্ত নেবে তা জানা যাবে সোমবারের মধ্যেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ইমাম অ্যাসোসিয়েশন চাইছে রাজ্যে যেন অন্তত ৩০মে পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকে। ইদের উৎসবকে বাদ দিতেও তাঁরা রাজি বলে জানাচ্ছেন। ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে জানানো হচ্ছে, ‘মানুষের জীবন আগে , উৎসব পড়ে’। তাই ৩০মে এর আগে যেন কোনও কিছু খোলা না হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন , মুলসিম ধর্মাবলম্বীরা সব কিছুই মানছেন আরও মানতে হলে তাও মেনে নেবেন কিন্তু কেন্দ্র ও রাজ্যকে তাঁদের একটাই অনুরোধ লকডাউন যেন খুলে দেওয়া না হয়।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।