দীপিকা সাহা: প্রথমে দেখা মিলেছিল পায়ের ছাপ৷ পাতা হল ফাঁদ৷ সেই ফাঁদে ধরা পড়ল একটি চিতা বাঘ৷ তারপরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গুয়াহাটির কামরুপ জেলার আইআইটির ক্যাম্পসের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে৷ প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দূর দূরান্ত থেকে আসা ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে৷

সবই ঠিক চলছিল৷ হঠাৎ কালী পুজোর আগে বালির মধ্যে দেখতে পাওয়া গেল পায়ের ছাপ৷ মনে করা হয়েছিল বনবিড়ালের পায়ের ছাপ সেটি৷ এর কিছু দিন পর দেখা মিলল সজারুর দেহাংশের৷ এবার প্রায় সকলেই নিশ্চিত হয়ে গেল ওই পায়ের ছাপ বাঘেরই৷ খবর দেওয়া হল বন দফতরে৷

তাঁরা এসে পায়ের ছাপ পরীক্ষা করে দেখলেন৷ বন দফতরের কর্মীরা জানালেন এটি বাঘেরই পায়ের ছাপ৷ এরপর ছাগল দিয়ে পাতা হল ফাঁদ৷ কালী পুজোর দিন অর্থাৎ ১২ নভেম্বর ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের পাশাপাশি বনদফরের কর্মীদের সন্দেহ সত্যি হয়৷ ফাঁদে ধরা পড়ল একটি চিতা বাঘ৷ তাঁরা এসে বাঘটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়৷ পাশাপাশি ক্যাম্পাসের অধ্যাপক অধ্যাপিকা ও ছাত্রছাত্রীদের জানিয়ে যায় আরও বাঘ রয়েছে৷ফলে আতঙ্ক রয়েই যায়৷

কিছুদিন পর এক ছাত্র সচক্ষে একটি বাঘ দেখতে পায়৷ আবারও খবর দেওয়া হয় বন দফতরে৷ ফের পাতা হয় ফাঁদ৷ কিন্তু এই বার আর কোনও বাঘ ধরা পড়েনি৷

কলেজ কর্তৃপক্ষ জঙ্গল পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে৷ ব্যবস্থা করা হয়েছে আরও আলোর৷ পড়ুয়াদের সুরক্ষার জন্য রাত ২টো পর্যন্ত ক্যাম্পাস থেকে আবাসন পর্যন্ত গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ সব পড়ুয়াকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে৷ রাতে আবাসনের বাইরে না বেরোনোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ কখন কী হয়, কে বলতে পারে?