নয়াদিল্লি : বিশ্বের সেরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তালিকায় উঠে এল আইআইটি খড়গপুর। ফি বছর কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বিশ্বের সেরা কলেজগুলির তালিকা বের করে। সেই তালিকায় সেরা ১০০ কলেজের তালিকায় এল আইআইটি খড়গপুর। শুধু প্রথম ১০০ নয় খড়গপুরের নাম রয়েছে প্রথম পঞ্চাশেই।

এই বছর কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির সেরা কলেজের তালিকায় আছে ভারতের ১২টি কলেজের নাম আছে। যার মধ্যে ৩টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। জানা গিয়েছে, দেশের মোট ৫২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই লড়াই চলে। তার মধ্যে ১২টি এই সেরার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। অন্যতম পশ্চিমবঙ্গের আইআইটি খড়গপুর। খড়গপুর আইআইটি খনিজ ও খনিজ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে শীর্ষস্থানীয় ৫০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্থান পেয়েছে। এছাড়াও কৃষিক্ষেত্র ও বনায়নের ক্ষেত্রে ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসাবে উঠে এসেছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। আইআইটি খড়গপুর ২০২১ সালে সর্বোচ্চ বিশ্ব সাবজেক্ট র‌্যাঙ্কে ৪৪ নম্বর স্থান অর্জন করেছে। গতবার তাদের স্থান ছিল ৪৬ নম্বরে। পাঁচটি বিস্তৃত বিষয়ের মধ্যে তিনটি বিষয়ে ২০২১ সালে স্থান পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ৫০ সেরা কলেজের তালিকায় আছে ভারতের আরও দুই কলেজ। আইআইটি বম্বে এবং আইআইটি মাদ্রাজ। ‘আইআইটি মাদ্রাজ’-এর স্থান ৩০ ও ”আইআইটি বম্বে’-এর স্থান ৪১।

খনিজ ও খনিজ প্রকৌশল, পরিবেশ বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও একনোমেট্রিক্স এবং পরিসংখ্যান ও অপারেশনাল গবেষণা সহ শাখাগুলিতে আইআইটি খড়গপুর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও তথ্য সিস্টেম, নাগরিক ও কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও বৈদ্যুতিন, যান্ত্রিক, বৈমানিক ও উৎপাদন, আর্থ ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান এবং অ্যাকাউন্টিং এবং ফিনান্স সহ শাখাগুলিতে ভারতের শীর্ষ পাঁচটির মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি স্থান পেয়েছে।

। কীভাবে বেছে নেওয়া হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে? সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, লেখাপড়ার মান, পড়ুয়া শিক্ষকদের মধ্যে সম্পর্ক, গবেষণার বিষয়, গবেষণায় সাফল্যের মতো বিষয়গুলিকে নিয়ে তুল্যমূল্য বিচার করা হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিতে মেকানিক্যাল, সিভিল, পেট্রোলিয়াম, ইলেক্ট্রনিকস ছাড়াও আইন, সাহিত্য-র মতো বিষয়গুলি চর্চায় উঠে আসে কি না তাও খুঁটিয়ে দেখা হয়। চলতি বছর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেরা বিষয়, তার উপর গবেষণা এবং সেই গবেষণার ফলের ভিত্তিতে সেরার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী ১,৪৫৩টি প্রতিষ্ঠানে পাঁচটি বিস্তৃত বিষয়ের অধীনে পঞ্চাশটি ছোটে বিষয়কে ২০২১ সালে স্থান দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।