ignou

নিউ দিল্লি: দেশের ডিসটেন্স লার্নিয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঠিকানা দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি। যেসব ছাত্রছাত্রীরা পরিবারের চাপ, আর্থিক চাপ বা অন্যান্য কারণে নিজের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারেন না, তাদের জন্য রয়েছে ওপেন ইউনিভার্সিটি বা মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। যেখানে ভর্তি হয়ে পড়াশুনা করে নিজের ইচ্ছেমত শিক্ষা অর্জন করা যায় এবং সশরীরে নিয়মিত কলেজে যেতে হয় না। এহেন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ইউনিভর্সিটি আজ ডিগ্রি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম লঞ্চ করলো। যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের ৩৩ তম ও ৩৪ তম সমাবর্তনে ডিগ্রি/ ডিপ্লোমা / সার্টিফিকেট কোর্সের শংসাপত্র পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু তারা পাননি, তারা এখন থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

” ইগনুর যোগ্য প্রার্থীদের মাস্টার্স, গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা, ও ডিপ্লোমা যাবতীয় সার্টিফিকেট রিজিওনাল সেন্টার গুলোতে বা তারা যে সব রিজিওনাল সেন্টার গুলি বেছে নিয়েছিলেন সেখান থেকে ছাত্রছাত্রীদের দেওয়ার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট সার্টিফিকেট ও সার্টিফিকেট কোর্সের সার্টিফিকেট প্রধান দপ্তরে পাওয়া যাচ্ছে। যারা এখনো ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট পাননি তারা যে সব রিজিওনাল সেন্টার বা হেডকোয়ার্টার থেকে তাদের সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা সেখানে জানিয়ে অনলাইনে সার্টিফিকেট পাওয়ার আবেদন করতে পারেন” এমনটাই জানিয়েছেন ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটির একজন আধিকারিক। আবেদন করতে হবে https://sedservices.ignou.ac.in/idms/ ei ওয়েবসাইটে।

যে সব ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যে সার্টিফিকেটের জন্য ইতিমধ্যেই নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন খুব শীঘ্রই রিজিওনাল সেন্টার বা হেডকোয়ার্টার থেকে তাদের সার্টিফিকেট ইস্যু করা হবে যদি সেটা না করা হয়ে থাকে। এর আগে ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি (indira gandhi national open university) যে সব ছাত্ররা তাদের টার্ম এন্ড পরীক্ষার খাতা পুনরায় মূল্যায়ন করতে চান বা খাতার কপি দেখতে চান তাদের জন্য একটি অনলাইন উইন্ডো চালু করেছিল। ছাত্রছাত্রীরা http://onlinerr.ignou.ac.in/reevaluation/ এই ওয়েবসাইটে টার্ম এন্ড পরীক্ষার খাতা পুনরায় মূল্যায়ন বা খাতার কপি দেখার জন্য আবেদন করতে পারতেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.