প্যারিস: ইতিহাস গড়লেন ইগা স্বিয়াতেক। দেশের প্রথম টেনিস প্লেয়ার হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যামের জয়ের নজির গড়লেন পোলিশ টিন-এজার। এছাড়াও মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বী সোফিয়া কেনিনকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে ফরাসি ওপেনের নতুন রানি হওয়ার পথে আরও একাধিক নজিরের সাক্ষী হলেন স্বিয়াতেক।

মাত্র এক ঘন্টা ২৪ মিনিটের লড়াইয়ে কেনিনকে ৬-৪, ৬-১ ব্যবধানে হারিয়ে এদিন প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের জয়ের স্বাদ পেলেন স্বিয়াতেক। পোল্যান্ডের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিজয়ী হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় অবাছাই প্রতিযোগিনী হিসেবে খেতাব জিতলেন তিনি। এর আগে অবাছাই প্রতিযোগিনী হিসেবে ২০১৭ রোলা-গ্যারোঁয় খেতাব জিতেছিলেন জেলেনা ওস্তাপেঙ্কো। এখানেই শেষ নয় ২০০৭ জাস্টিন হেনিনের পর কোনও সেট না খুঁইয়ে লাল সুড়কির কোর্টে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতলেন ১৯ বছরের স্বিয়াতেক।

বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ী কেনিনের বিরুদ্ধে এত সহজ জয় বোধহয় প্রত্যাশা করেননি প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে নামা স্বিয়াতেক। অর্থাৎ, সেদিক থেকে দেখতে গেলে কেবল ফরাসি ওপেন নয়, গ্র্যান্ড স্ল্যাম পেল নতুন বিজেতাকে। পাশাপাশি চতুর্থ কনিষ্ঠ সদস্যা হিসেবে রোলা গ্যারোঁয় এদিন মহিলাদের সিঙ্গলস জিতলেন স্বিয়াতেক।

২০০৮ মারিয়া শারাপোভা এবং অ্যানা ইভানোভিচের পর এই প্রথম অনুর্ধ্ব-২১ ফাইনাল দেখল কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম। প্রথম সেটে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে শুরুটা দারুণ করেন স্বিয়াতেক। কিন্তু এরপর দারুণভাবে প্রথম সেটে সমতায় ফিরে আসেন কেনিন। যদিও চতুর্থ বাছাই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে আধিপত্য নিয়েই প্রথম সেট ৬-৪ ব্যবধানে জিতে নেন পোলিশ প্রতিযোগী। মনে হয়েছিল দ্বিতীয় সেটে একটা মরণ-কামড় দেবেন কেনিন। কিন্তু দ্বিতীয় সেটের তৃতীয় গেমের পর একটা মেডিক্যাল টাইম-আউট নেন কেনিন।

কোর্টেই কেনিনের বাঁ-পায়ের চিকিৎসা চলে। এরপর আর ফর্মের ধারে-কাছে পাওয়া যায়নি মার্কিনীকে। একচেটিয়া দাপট দেখিয়ে ৬-১ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন স্বিয়াতেক। গোটা ম্যাচে ২৩টি আনফোর্সড এরর বিপদ ডেকে আনে কেনিনের জন্য। ফরাসি ওপেনে আধিপত্য বিস্তারের পর রোলা গ্যারোঁর নতুন রানি বলেন, ‘দু’বছর আগে আমি রোলা গ্যারোঁয় জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলাম আর আজ এখানে। আমার পরিবারও এখানে উপস্থিত রয়েছে। আমি আজ ভীষণ খুশি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।