কলকাতা: খুব সম্ভবত নতুন বছরে ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে আইলিগ। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানকে ছাড়া নয়া ফর্ম্যাটে আইলিগে বাংলার একমাত্র প্রতিনিধি মহামেডান স্পোর্টিং। ইতিমধ্যেই আইলিগের জন্য কলকাতায় পুরোদস্তুর অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে রাউন্ডগ্লাস পঞ্জাব এফসি। ১৭ নভেম্বর থেকে সাদা-কালো শিবিরেরও অনুশীলন শুরু করে দেওয়ার কথা। যেহেতু কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে এবারের আইলিগ, তাই এমতাবস্থায় বাংলা ফুটবলের গভর্নিং বডি চাইছে আইলিগ শুরুর আগে ঐতিহ্যের আইএফএ শিল্ডও অনুষ্ঠিত করে নিতে।

কোভিড আবহে কোনও বিদেশি দলকে ছাড়াই আগামী ডিসেম্বরে আইএফএ শিল্ড আয়োজনের ব্যাপারে পক্ষপাতী বাংলা ফুটবলার গভর্নিং বডি। আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আইলিগের আগে ম্যাচ প্র্যাকটিস সেরে নিতে আইএফএ শিল্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে ইচ্ছুক দলগুলো। বাংলার এক ক্রীড়া সংবাদমাধ্যমকে এব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, ‘যা প্রত্যাশা করেছিলাম তুলনায় অনেক বেশি সাড়া মিলছে অংশগ্রহণের ব্যাপারে।’ কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ঐতিহ্যের আইএফএ শিল্ডে কলকাতার দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের অংশগ্রহণের ব্যাপারে। আইএসএল খেলতে দুই দল এই মুহূর্তে গোয়ায়, সেক্ষেত্রে কী দুই প্রধানকে ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে শিল্ড?

যা পরিস্থিতি তাতে দুই প্রধানকে ছাড়া আইএফএ শিল্ড আয়োজন করা ছাড়া কোনও উপায় নেই। কারণ কোনও বয়সভিত্তিক নয়, বরং সিনিয়র দল নিয়েই অনুষ্ঠিত হবে আইএফএ শিল্ড। সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের সিনিয়র দল ডিসেম্বরে গোয়ায় পুরোপুরি আইএসএলে ডুবে থাকবে। তাই কোনও প্রশ্নই নেই শিল্ডে অংশগ্রহণের। তবে প্রথা মেনে দুই প্রধানের কাছে আমন্ত্রণ ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে আইএফএ’র তরফে। প্রত্যুত্তরে মোহনবাগান অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘বয়স ভিত্তিক প্রতিযোগিতা হলে নিশ্চয়ই দ্বিতীয় সারির দল খেলাতাম। কিন্তু প্রথম সারির প্রতিযোগিতায় রিজার্ভ দল কেন খেলাব? সবুজ-মেরুন জার্সি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলতে নামে।’

অন্যদিকে শিল্ডে খেলার আমন্ত্রণ পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। কিন্তু প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের বিষয়ে শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের পক্ষে শ্রেণিক শেঠের কথা অনুযায়ী, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার যদিও জানিয়েছেন চাইলে রিজার্ভ দলকে খেলানোর পক্ষপাতী। কিন্তু খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়টি এখন শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশনের হাতে। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয় দেবব্রত বাবুর পক্ষে। তবে আলোচনা সাপেক্ষেই খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে অংশগ্রহণের ব্যাপারে।

আপাতত মহামেডান স্পোর্টিং, গোকুলাম কেরালা এফসি, ভবানীপুর, সাদার্ন সমিতির মতো দলগুলি শিল্ডে অংশগ্রহণে ইচ্ছেপ্রকাশ করেছে। মনে করা হচ্ছে আট দলকে নিয়েই অনুষ্ঠিত হতে পারে শিল্ড। আইএফএ সচিবের কথা অনুযায়ী শিল্ড বায়ো বাবলে অনুষ্ঠিত না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে নিয়মিত কোভিড টেস্টের ব্যবস্থা থাকবে শিল্ডে। এবিষয়ে সব দল অংশগ্রহণে সম্মতি করে কীনা, সেটাও এখন দেখার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.