কলকাতা: এআইএফএফ’র উদাসীনতায় সর্বভারতীয় স্তরে পিছোচ্ছে বাংলার ফুটবল। জাতীয় স্তরে তাই বাংলার ফুটবলের গরিমা ফেরাতে উদ্যোগী হল আইএফএ। প্রাক্তন ফুটবলার, কোচ এবং ফুটবল কর্তাদের সমন্বয়ে এ বিষয়ে জরুরি আলোচনার জন্য সোমবার আইএফএ অফিসে বৈঠকে বসেছিলেন আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখোপাধ্যায় এবং সভাপতি অজিত বন্দোপাধ্যায়।

বিশ্বজিত ভট্টাচার্য, দীপেন্দু বিশ্বাস, তনুময় বসু, রঞ্জন ভট্টাচার্যের মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা উপস্থিত ছিলেন এদিনের বৈঠকে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফুটবল কর্তা নবাব ভট্টাচার্যও। বাংলার ফুটবলের হাল ফেরাতে আইএসএলের ধাঁচে এবার জেলা ফুটবল লিগ চালু করার বিষয়ে নানা আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে। জেলাস্তর থেকে প্রতিভাবান ফুটবল তুলে আনার ক্ষেত্রেও এদিনের বৈঠকে উদ্যোগী হয়েছে আইএফএ। বিভিন্ন জেলায় বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে প্রচুর প্রতিভাবান ফুটবলার কেবল অর্থাভাবে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। আগামীদিনে এমনটা যাতে না হয় সেজন্য উদ্যোগী হয়েছে বাংলা ফুটবলের গভর্নিং বডি।

বৈঠক শেষে আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, পাহাড়ি ফুটবলারদের থেকে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই বাংলার ফুটবলাররা। বরং তারা অনেক বেশি প্রতিভাবান। বাংলার ফুটবলাররা গোলের সামনে অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, ফুটবল বুদ্ধি দিয়ে দিয়ে খেলতে হয়। এবিষয়েও বাঙালি ফুটবলাররা পাহাড়ি ফুটবলারদের টেক্কা দিয়েছে এটা প্রমাণিত। প্রাক্তন গোলরক্ষক তনুময় বসু জানান, উত্তরবঙ্গের অনেক ফুটবল প্রতিভা অর্থাভাবের কারণে হারিয়ে যায়। সেই সকল ফুটবলারদের কলকাতায় এনে দক্ষ প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে উচ্চস্তরে খেলার উপযুক্ত করে তোলার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ফুটবল কর্তা নবাব ভট্টাচার্য আবার এআইএফএফের বিরুদ্ধে তোপ দেগে জানিয়েছেন, ‘বাংলার ফুটবল আজ পিছিয়ে পড়েছে এআইএফএফ’র উদাসীনতার জন্য।’ তাঁর কথায় এআইএফএফ মনে করে যেখানে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান আছে সেখান থেকে আর কোনও টিমের প্রতিনিধিত্ব করার প্রয়োজন নেই। এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল। তাঁদের মাথায় রাখতে হবে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের মত ক্লাব যেখানে রয়েছে সেখানে একটা ফুটবল সংস্কৃতি রয়েছে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।