কলকাতা: মহালয়ার দিন অর্থাৎ দেবীপক্ষের সূচনায় লক্ষ্মীলাভ হল বাংলা ফুটবলের গভর্নিং বডি আইএফএ’র। ‘অ্যাকর্ড স্পোর্টস ভিডিকে’ কে কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে পেল ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। চার বছরের জন্য এই বাণিজ্যিক সংস্থার সঙ্গে মহালয়ার সকালে গাঁটছড়া বাঁধল বাংলা ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আগামী চার বছরে আইএফএশিল্ড, কলকাতা প্রিমিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ সহ চার-চারটি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য ১৪ কোটি টাকা দেবে এই নয়া কমার্শিয়াল পার্টনার।

১২৮ বছরের ইতিহাসে আইএফএ এই প্রথমবার কোনও কমার্শিয়াল পার্টনারকে নিজেদের সঙ্গী হিসেবে পেল। শুধু তাই নয়, দেশের প্রথম কোনও রাজ্য ফুটবলের গভর্নিং বডি হিসেবে আইএফএ’র সঙ্গে যুক্ত হল এই ধরনের কমার্শিয়াল পার্টনার। সবমিলিয়ে বাংলা ফুটবলের গভর্নিং বডিতে এখন খুশির হাওয়া। ‘অ্যাকর্ড স্পোর্টস ভিডিকে’ নামক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে কমার্শিয়াল পার্টনার হিসেবে পেয়ে খুশি আইএফএ সচিব জয়দীপ বন্দোপাধ্যায়। পিটিআই’কে জয়দীপ বাবু জানিয়েছেন, ‘স্পনসরশিপের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট সম্প্রচার স্বত্ত্বের বিষয়টিও নয়া কমার্শিয়াল পার্টনারের হাতে থাকবে। এটা দু’পক্ষের জন্যই উইন-উইন সিচুয়েশন।’

আইএফএ শিল্ড, কলকাতা লিগ ছাড়াও উইমেন্স লিগ এবং নার্সারি লিগের জন্যও আইএফএ তাদের নয়া কমার্শিয়াল পার্টনারের থেকে অর্থসাহায্য পাবে বলে জানিয়েছেন সচিব। এর বাইরে আইএফএ’র কোনও আভ্যন্তরীন বিষয়ে অ্যাকর্ড স্পোর্টস ভিডিকে হস্তক্ষেপ করবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। এআইএফএফ সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত জানিয়েছেন এই প্রথম কোনও রাজ্য ফুটবল সংস্থার সঙ্গে কমার্শিয়াল পার্টনার যুক্ত হল। তাঁর কথায়, ‘এটা আইএফএ’র ১২৮ বছরের ইতিহাসে একটা ঐতিহাসিক দিন।’

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থার তরফ থেকে সুদীপ গঙ্গোপাধ্যায় এই চুক্তিকে ইতিবাচক ভঙ্গিতেই গ্রহণ করছেন। তাঁর কথায়, তাদের সংস্থা বিজ্ঞাপনের জগতে ৩০ বছর ধরে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছে কর্পোরেট ব্যবস্থাপনার মধ্যে দিয়ে আইএফএ পরিচালিত টুর্নামেন্টগুলোও সেই অভিজ্ঞতার মোড়কে উপস্থাপন করতে পারবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আশাবাদী আইএফএ’র যে সকল টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং সম্প্রচারের দায়িত্ব আমাদের হাতে থাকবে সেগুলোকে আরও কর্পোরেট ব্যবস্থার মোড়কে পরিবেশন করার বিষয়ে। আশা রাখব এই চুক্তি দীর্ঘায়িত হবে এবং বাংলার ফুটবল এতে লাভবান হবে।’

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।