কলকাতা: মায়ের আঁচলের তলায় সে খুঁজে পায় সুরক্ষা। অথচ বাড়িতে নতুন বিয়ে করা বউয়ের কাছেও ঘেঁষে না। এই সমস্যা বিয়ের পরে অনেক মেয়েরই হয়। আবার প্রেমিকাদেরও এমন ছেলেদের সঙ্গেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হয়। এমন ছেলে আপনাকেও যারপরনাই কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। এমনকি মায়ের সব কথা তো সে শোনেই উপরন্তু আপনাকেও বাধ্য করবে সেটাই করতে। এতে সম্পর্কটা আপনাদেরই নষ্ট হবে। দুটো সম্পর্কে নিয়ন্ত্রণ না আনতে পারলে কোনোটাই সার্থক হবে না। তবে তা করতে চাইলে সময় লাগবে।

১. প্রথমেই তাকে বোঝান যে আপনিও তার মাকে শ্রদ্ধা করলেও বা ভালোবাসলেও আপনাদের দুজনের ব্যক্তিগত সময়ের মধ্যে আপনি তার মাকে আসতে দিতে চান না। কেন চান না সেটাও বোঝান। আপনার সঙ্গীকে একটা সীমারেখা টানতে বলুন যাতে তার ভেতরে তার মা প্রবেশ করতে পারবে না। এমননকি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েও কথা বলবে না। আর এই কাজটি কেন তাকেই করতে হবে সেটাও বোঝান।

আরো পোস্ট- ভাইরাল- কাঁধে বাচ্চা, কর্তব্যে অবিচল ট্রাফিক পুলিশ!

২. হওয়ার আপনার সঙ্গী সবক্ষেত্রেই আগে মাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। কিন্তু আপনার তার কাছে কী মূল্য আছে সেটাও জানতে হবে আপনাকেই। তাকে বলুন আপনাদের দুজনকে সমান সময় দিতে। এতে কারুরই রাগ হবে না। সম্পর্কও ভালো থাকবে। তাকেও বোঝাতে হবে আপনি তাকে কতটা চান ও কেন চান।

৩. কথায় কথায় মায়ের সঙ্গে আয়নার তুলনা বন্ধ করতে বলুন। তাকে বোঝান যে আপনারা দুজন দুটো আলাদা সত্বা ও চরিত্রের মানুষ। তাই দুজনের মধ্যে কোন মিল থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। এতে সে আপনাকে তার মায়ের মতো করে বদলে যাওয়ার আদেশ আর দেবে না।

৪. এমন ছেলেরা খুব আদুরে হল। বিছানা ছেড়ে নামতে নামতেই ১ বছর। তারপরই শুরু হবে ফাই ফরমাসের ফিরিস্তি শোনানো। তাকেও বোঝান মায়ের মুখাপেক্ষী হয়ে বসে না থেকে সংসারের কাজে হাত লাগানো উচিত।

৫. তাকে শুধু মায়ের পক্ষ নিতে মানা করুন। বোঝান যে মাও ভুল করতে পারেন বা বুঝতে পারেন। এর মানেই যে সেই ভুলটা সত্যি হয়েছে এটা নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.