স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কেজরিওয়ালের পথে হেঁটে এবার পুরভোটে উন্নয়নকেই প্রচারের হাতিয়ার করতে চাইছে তৃণমূল। শাসক দলের সেই ধারালো অস্ত্রকে এবার ভোঁতা করতে চাইছে বিজেপি।

একুশের আগে পুরভোট এবার গেরুয়া শিবিরের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তৃণমূলকে এক চুল জমিও ছাড়তে নারাজ তারা। বুধবার আরও একবার তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু।

তৃণমূলের উন্নয়ন অস্ত্রকে খোঁচা দিয়ে তিনি বললেন,”উন্নয়ন দেখতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের বাড়িতে চলে যান। আমরা মানুষের উন্নয়ন চাই।”

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূলের বড়, মেজো নেতারা তো আছেই, ছোট-খাটো নেতারাও ক্রমশ ফুলে-ফেঁপে উঠছেন। তাদের আর্থিক সম্পত্তির বহর দেখলে চক্ষু চরক গাছ হওয়ার জোগাড়।এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সায়ন্তন বার্তা দিলেন, যে উন্নয়নের নামে সাধারণ মানুষের টাকা তৃণমূল কাউন্সিলররা যেভাবে পকেটস্থ করেছেন সেটাকে পুরোদমে প্রচারের হাতিয়ার করবেন তাঁরা।

বহু কাউন্সিলরদের জন্য দলের ভাবমূর্তিও যে নষ্ট হয়েছে সেটা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানেন। সেই কারণেই কাটমানি খাওয়া নিয়ে দলকে সতর্ক করেছিলেন তিনি।

ইতিমধ্যেই গত লোকসভা নির্বাচন থেকে তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়া প্রশান্ত কিশোর ও তার টিমকে দিয়ে নানা পৌরসভায় গোপন ভাবে সমীক্ষা চালাতে শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোন এলাকায় কোন কাউন্সিলর ভালো কাজ করছেন, এলাকায় জনপ্রিয়তা কেমন, ইত্যাদি প্রশ্ন সাধারণ মানুষের কাছে ছুড়ে দিয়ে বাস্তব অবস্থা বুঝতে চাইছে এই টিম।