স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ:  ‘জয় শ্রীরাম বললে বাধা কেন? রাম নাম অপছন্দ করলে বাংলায় জায়গা নেই।‘ বাংলায় ভোট প্রচারে এসে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে একহাত নিয়ে যোগী এদিন বলেন, ‘দেশের প্রথম নোবেল এনে দিয়েছিল বাংলা। বাংলা আগে দেশকে দিশা দেখাত, নেতৃত্ব দিত। এখন বাংলায় অপরাধ, অরাজকতা বেড়েছে। হিংসার ভূমি হয়ে উঠেছে বাংলা। এখানে কেন্দ্রের প্রকল্প চালু হয় না। দুর্গাপুজো করতে এখানে সমস্যায় পড়তে হয়।‘ যোগী আরও বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশে কেউ গো হত্যা করতে পারে না। ২০১৭ সালে আমাদের সরকার এসেছিল। তখনই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বেআইনি সব বন্ধ হয়েছে। বিজেপি সরকার আসলে বাংলায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অবৈধ গো হত্যা বন্ধ করা হবে। গরুপাচার বন্ধ হবে।’

ভোটের মুখে আজ, মঙ্গলবার নির্বাচনী প্রচারে রাজ্যে এসেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। মালদহের গাজোল সভা করেন তিনি। তার আগে, এদিন সকালে ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, ‘নমস্কার বাংলা। সনাতন সংস্কৃতির পীঠে আসার সৌভাগ্য হবে আমার। বন্দে মাতরম মন্ত্রে দীক্ষিত বীর ভূমিকে আমার প্রণাম। এই মন্ত্রে দেশে জাগরিত হয়েছিল রাষ্ট্রীয় চেতনা। জয় শ্রী রাম’

নবান্ন দখলের লড়াইয়ে যে সব জেলাকে রাজ্য বিজেপি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, তার অন্যতম মালদহ। কদিন আগেই মালদহের সাহাপুরে কৃষকদের নিয়ে ‘সহভোজ’ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা। একই দিনে ইংরেজবাজারে একটি রোড-শো করেছেন তিনি। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে এ বার মালদহে আসছেন যোগী।

প্রসঙ্গত, গত লোকসভা নির্বাচনে মালদহ উত্তর কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন বিজেপি-র খগেন মুর্মু। অন্য দিকে, মালদহ দক্ষিণে কংগ্রেসের আবু হাসেম খান চৌধুরির কাছে বিজেপি-র শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী হারলেও ব্যবধান ছিল ৮,২২২ ভোট। লোকসভা নির্বাচনের বিচারে যে ব্যবধান লক্ষ্যণীয় ভাবে কম। এই কারণেই এ বার মালদহ জেলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই অঞ্চলগুলিতে হিন্দু ভোটার বেশি থাকায় তা এককাট্টা করাই লক্ষ্য বিজেপির। পাশাপাশি যোগীর সভা থেকে বার্তা যাবে বালুরঘাট, মালদহ উত্তর, রায়গঞ্জের ভোটারদের কাছেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.