নিউইয়র্ক: চল্লিশ পেরোলে চালসে শুধু নয়, চল্লিশ পেরোলে ছাঁটাই হতে হবে ৷ কারণ তেমনই নাকি আইবিএম নীতি নিয়েছে৷ বয়সের ভিত্তিতে কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা আইবিএম-এর বিরুদ্ধে৷

কারণ ৪০ বছর পেরোলেই কর্মীদের ছাঁটাই করতে দেখা গিয়েছে এই মার্কিন সংস্থাটিকে৷ ওই সংস্থার প্রাক্তনীরাই এমন অভিযোগ করেছেন৷ আর এদের ছাঁটাই করে পরিবর্তে নেওয়া হচ্ছে তুলনায় কম বয়েসি কর্মী৷ এমন নিয়োগ করে গুগল ফেসবুকের মতো সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দিতে চেয়েছে৷

প্রসঙ্গত, স্বাধীন ভাবে কর্মরত বিভিন্ন জনস্বার্থ সংক্রান্ত মামলার তদন্তকারী সংস্থা প্রোপাবলিকা তার রিপোর্টে জানিয়েছে, গত পাঁচ বছরে চল্লিশ ঊর্ধ্বে থাকা প্রায় ২০ হাজার মার্কিন নাগরিককে ছাঁটাই করেছে আইবিএম।

প্রতিদিন আট হাজারের বেশি চাকরির দরখাস্ত জমা পড়ে বলে দাবি আইবিএম কর্তৃপক্ষের৷ যারফলে নতুন প্রজন্মের কাছে চাহিদার দিক থেকে এই সংস্থার চাকরির পয়লা নম্বরে বলে ইতিমধ্যেই দাবি করেছিলেন আইবিএম সিইও জিন্নি রমেত্তি। এদিকে মার্কিন আদালতে আইবিএম-এর বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রাক্তন দুই কর্মী জোনাথন ল্যাঙ্গলে এবং অ্যালান ওয়াইল্ড।

এই দুই কর্মীরই অভিযোগ হল – উচ্চপদে ভাল ভাবে কাজ করলেও, শুধুমাত্র বয়স বাড়ার কারণে আইবিএম পঞ্চাশ হাজার থেকে এক লক্ষ কর্মী ছাঁটাই করেছে গত পাঁচ বছরে ৷ কমবয়সী কর্মী নিয়োগ করার জন্য অন্যায় ভাবে তাঁকে ছেঁটে ফেলে হয়েছে বলে জানান ৬১ বছরের জোনাথন ল্যাঙ্গলে৷ অন্যদিকে অ্যালান ওয়াইল্ডের অভিযোগ, বয়স্ক কর্মীদের জবুথবু দেখতে লাগে আর তাতে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজেদের ঝকঝকে ভাবমূর্তি তুলে ধরা যাচ্ছে না৷ আর তাই বয়স্কদের ছেটে ফেলতে দ্বিধা করছে না বয়স্করা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।