ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, মহিষাদল : সকাল থেকে উপোস করে, বাড়ির কূল দেবী লক্ষ্মীপুজো করার পর দেওয়া হয় “বড়ির বিয়ে।” পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের বিশ্বাস অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার বড়ির বিয়ে দিলে সংসারে মঙ্গল হয়।

আর বড়ির বিয়ে দেওয়ার পর বাড়ির ছেলে মেয়েদের বিয়ে ঠিক করলে তাদের বিবাহিত জীবন সুখের হয়। পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে বড়ির জেলা বলা হয়।এই জেলার মহিষাদল, তমলুক, হলদিয়ার নকশা বড়ি বাংলা জুড়ে বিখ্যাত। আর সেই বড়ির জেলায় মহিষাদলের তেরপেখ্যা,ঘাগরা,রামবাগ সহ কয়েকটি গ্রামে রীতি রয়েছে অগ্রহায়ন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার বড়ির বিয়ে দেওয়ার।

এই জেলার মানুষদের বিশ্বাস অগ্রহায়ন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার বড়ির বিয়ে দিলে সংসারের মঙ্গল হয়। তাছাড়াও বড়ির বিয়ে দেওয়ার পর বাড়ির ছেলে মেয়েদের বিয়ে ঠিক করলে তাঁদের দাম্পত্য জীবন সুখের হয়। পূর্ব পুরুষদের সেই রীতি আজও পালন করে আসছেন এই সব গ্রামের বাসিন্দারা।

সকাল সকাল বাড়ি পরিষ্কার করে বাড়ির কূলদেবী লক্ষ্মী পুজো করে বিয়ের শুভ সূচনা হয়। পুজোর পর বিউড়ির ডাল ভিজিয়ে দেওয়া হয়।পঞ্জিকার সময় ধরে বিউলির ডাল বেটে বাড়ির মন্দিরের সামনে দুটো বড় বড়ি করে। এই বড় বড়ির একটি কনে ও অপরটি বর।

কনে বড়ি ও বর বড়ির পাশে ছোটো ছোটো কয়েকটি বড়ি দেওয়া হয়।এই ছোট বড়ি গুলো বর ও কনে যাত্রী। রিতিমত শাঁখ বাজিয়ে তুলসি দুলপা ঘাস দিয়ে বর বড়ি ও কনে বড়িকে আর্শীবাদ করেন বাড়ির গুরুজনেরা। পরিবারের মানুষদের বিশ্বাস কনে বড়ি হল তাদের বাড়ির মেয়ে।

বাড়ির মেয়ের বিয়ে তাই নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে করা হয়। এই জন্য এই দিন বাড়ির সবাই নিরামিশ আহার করেন। সব মিলিয়ে অগ্রহায়ণ মাস পড়তেই বাংলার এই জেলা জুড়ে ‘বড়ির বিয়ের’ উৎসবে মেতে ওঠেন এখানকার সকল বাসিন্দারা। আর এভাবেই হৈ-হৈ করেই চলে ‘বড়ির বিয়ের’ অনুষ্ঠান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।