নয়াদিল্লি: প্রতিদিনের ৮০ শতাংশ সময় কাটে স্মার্টফোনের সঙ্গে। ফলে অতিরিক্ত ব্যবহারে নাভিশ্বাস ওঠে মোবাইল ফোনের। তবু দেখা যায় নতুন ফোনেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় চার্জ থাকছে না। এতে ব্যাটারির ক্ষতি হয়। দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যাওয়া মানে ফোনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়া।

কিছু ট্রিকস রয়েছে, যা আপনার ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।

১. ফোন সবসময় সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আসল চার্জার দিয়ে চার্জ দিন। বাজার চলতি নকল চার্জারে ফোনের ক্ষতি হয়, ব্যাটারিও দ্রুত চার্জ হারায়।

২. যতটা সম্ভব ফোনকে ডার্ক মোডে রাখুন। এতে ব্যাটারি কম খরচ হবে।

৩. কম করে রাখুন ব্রাইটনেস। এতে ব্যাটারির আয়ু বাড়বে।

৪. ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশনগুলো বন্ধ করে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলো খোলা থাকলে ব্যাটারি তাড়াতাড়ি শেষ হয়।

৫. এছাড়াও ব্যাটারি বাঁচাতে ফোনের লোকেশন বন্ধ করে রাখতে পারেন।

৬. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলিকে বিদায় করুন। এতে ফোনের স্পেস বাঁচবে। বাঁচবে ব্যাটারিও।

একটি স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সঠিক সময় তখন, যখন ব্যাটারিতে ৫০% এর থেকে কম পরিমানে চার্জ থাকবে। মোবাইলে ৫০% থেকে ৯০% চার্জ সবসময় বজায় রাখা উচিৎ। ৫০% থেকে কমে গেলে চার্জ দিতে হবে। মনে রাখবেন, ৯০% -৯৫% থেকে বেশি চার্জ দেওয়া যাবে না। ৯০% ব্যাটারী চার্জ হয়ে যাওয়ার পর চার্জার খুলে দিতে হবে।

হঠাৎ করে “low battery signal“ দিলে তখনই মোবাইল চার্জ দেওয়ার কথা মনে পড়ে। তখন চার্জ ২০% থেকেও আরও বেশি কমে যায়। এভাবেই ৫৫% লোকেরা নিজেদের মোবাইলের ব্যাটারির কার্য ক্ষমতা দিনের পর দিন নষ্ট করতে থাকেন।

মনে রাখবেন, যখন মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ ২০% থেকেও কম থাকে, তখন মোবাইল দুর্বল হয়ে যায়। দিনের পর দিন ২০% থেকেও কম চার্জ থাকা অবস্থায়, ভারী ভারী গেমস বা apps মোবাইলে ব্যবহার করলে ব্যাটারি খারাপ হয়ে যায়।

যে কোনও স্মার্টফোনে সম্পূর্ণ ১০০% চার্জ না দিয়ে, ৯০% থেকে ৯৫% অব্দি চার্জ দিলে, মোবাইল ব্যাটারির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। তবে, মাসে একবার সম্পূর্ণ ০% থেকে ১০০% ফুল চার্জ দিতে হবে। এই প্রক্রিয়ার সাহায্যে “battery recalibrate” হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।