ঠাকুরনগর, উত্তর ২৪ পরগনা : ঠাকুরনগরের (Thakurnagar) সভা থেকে নাগরিত্বের প্রশ্নে অমিত শাহকে (Amit Shah) তীক্ষ্ণ ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avishek Banerjee)। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন তাঁর বক্তব্যে বুঝিয়ে দেন, মতুয়ারা (Motua) অবৈধ হলে প্র্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) অবৈধ।

তাঁর বাড়িতে সিবিআই হানা ও তাঁর স্ত্রীকে কয়লাকাণ্ডে জেরার পর বৃহস্পতিবারই ছিল অভিষেকের প্রথম সভা। এদিনের সভা থেকে তিনি বলেন, “১১ ফেব্রুয়ারি এই মাঠে এসে অমিত শাহ বললেন ভ্যাকসিন শেষ হলে নাগরিকত্ব দেবেন। ভারতের ১৩০ কোটি নাগরিক। ভ্যাকসিন শেষ হতে ১০ বছর লাগবে। বুঝে দেখুন তাহলে কি বলছে। আপনাদের আঁধার কার্ড, ভোটার কার্ড আছে। আপনারা ভোট দিয়েছেন।আমি বলছি আপনাদের ভোটে জিতে এরা আপনাদেরই অবৈধ বলছে? এই মানুষগুলো অবৈধ হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অবৈধ, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদের কোনও দাম নেই। কেননা আপনাদের ভোটে জিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন এরা।”

এরপর বিজেপি নেতাদের আজ আবার বহিরাগত বলে অভিষেক আক্রমণ করে বলেন, “আমি এই মাঠে মিটিং করতে আসবো বলে মাঠে জল ঢেলে দিয়েছিল। আরে আমি বাংলার ভূমিপুত্র। গাড়ি করে আসবো।আমি গুজরাট থাকি না।”

বিজেপি নেতারা সম্প্রতি রাজ্যের সবকটি সভায় এসে বলছেন বাংলাকে সোনার বাংলা বানাবেন। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সোনার বাংলা বানানোর আগে সোনার গুজরাট, সোনার উত্তরপ্রদেশ বানাও, সোনার হরিয়ানা , সোনার ত্রিপুরা, সোনার রাজস্থান বানাও।”

এদিন সিবিআই, ইডি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যতই সিবিআই , ইডি দেখাও, আমার গলা কেটে দিলেও জয় বাংলা ছাড়া অন্য কিছু বার হবে না। গণতান্ত্রিকভাবে মানুষ আপনাদের জবাব দেবে।” তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন তাঁর বাড়িতে সিবিআই হানা ও তাঁর স্ত্রীকে সিবিআই-র জেরা প্রসঙ্গে কোনও কথা বলেননি।

নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে বিজেপিকে এদিন সভা থেকে অভিষেক দ্বিতীয় দফায় আক্রমণ করে বলেন, “বিজেপি-র ফাঁদে পা দেবেন না। দেখেছেন না , এখানে তো ২০১৯-এর ভোট একজন জিতেছেন। তাঁকে করোনার সময় দেখেছেন? তখন কিন্তু আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করলে আপনাদের পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহারাদারের মতো থাকবেন। আসলে দেশের মধ্যে একজনই মহিলা মুখ্যমন্ত্রী আছেন। তাকে যে ভাবেই হোক সরানোর জন্য এসব চলছে। আপনারা কি চান বাংলা দিল্লির কাছে মাথা নত করুক?” তখন সভাস্থল থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা সমস্বরে বলে ওঠেন না।”

এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আয়ুষ্মান ভারত ও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের তুলনা করে বলেন, “আপনার বাড়িতে একটা মোবাইল থাকলে, ফ্রিজ থাকলে আপনি আয়ুষ্মান প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। কিন্তু রাজ্যের সমস্ত আয়ের মানুষ স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড পাবেন। আপনারা কোনটা চান স্বাস্থ্যসাথী না আয়ুষ্মান ভারত?” আবার সভায় উপস্থিত কর্মীরা সমস্বরে বলে ওঠেন স্বাস্থ্যসাথী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।