আমদাবাদ: তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানদের যে সাহস সহজে হয় না, সেটা কীনা করে দেখাল সেদিনকার ছেলেটা। সাধে কী আর কমেন্ট্রি বক্স থেকে হর্ষ ভোগলে বলে উঠলেন, এটা আর কিছু নয় নিছক ‘স্পর্ধা’। হ্যাঁ, আর এই স্পর্ধাই বোধহয় বাকিদের থেকে আলাদা করেছে ঋষভ পন্তকে। নইলে টেস্ট ক্রিকেটের সর্বাধিক উইকেট শিকারি ‘কিং অফ রিভার্স সুইং’ জিমি অ্যান্ডারসনকে রিভার্স সুইপ মারার সাহস কে দেখায় বলুন তো?

তবে এটাই যদি শেষবারের মত মনে করে থাকেন অনুরাগীরা, তাহলে মস্ত বড় ভুল করছেন তারা। কারণ জিমি অ্যান্ডারসনের মতো অন্যান্য ফাস্ট বোলারদের যদি ফের উলটো সুইপ করার সুযোগ পান, তাহলে ফের করবেন পন্ত। সাফ জানালেন ভারতের তরুণ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। উল্লেখ্য, ভারত-ইংল্যান্ড চতুর্থ টেস্টের দ্বিতীয়দিন চর্চার শিরোনামে ছিল ব্যাট হাতে ঘরের মাঠে পন্তের প্রথম সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার আগে ব্যক্তিগত ৮৯ রানের মাথায় অ্যান্ডারসনকে উলটো সুইপ হাঁকিয়ে অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটারের চোখ কপালে করে দিয়েছেন পন্ত।

অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, হরভজন সিং’রা তো মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে পন্তের ইনিংস নিয়ে তাঁদের মনের ভাব ব্যক্ত করেছেন। অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ তো আবার পন্তের রিভার্স সুইপের বাড়তি প্রশংসা করেছেন। আর পন্ত নিজে বলছেন, ‘আমি যদি ফের কখনও সুযোগ পাই একজন ফাস্ট বোলারকে রিভার্স ফ্লিক করার, তাহলে আমি নিঃসন্দেহে করব।’ উল্লেখ্য দেড়শো রানের মধ্যে ৬ উইকেট খুঁইয়ে বিপাকে পড়ে যাওয়া ভারতীয় ব্যাটিং পন্তের ব্যাটে সাহারা পায় দ্বিতীয়দিন।

১১৮ বলে ১০১ রানের ইনিংস খেলে জয়ের ভিত গড়ে দিয়ে আসেন এই ফ্ল্যামবয়েন্ট উইকেটরক্ষক। পন্ত নিজেও তাই মেনে নিচ্ছেন এটা ভীষণ স্পেশাল একটা ইনিংস। তাঁর কথায়, ‘ইনিংসটা ভীষণই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দল ভীষণ চাপে ছিল তাই। ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে আমরা তখন রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। আর দলের যখন প্রয়োজন তখন নিজেকে প্রমাণ করার মত আনন্দ বোধহয় আর হয় না।’

ব্যাটের পাশাপাশি স্টাম্পের পিছনে দাঁড়িয়ে বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের উদ্দেশ্যে তাঁর স্লেজিংয়ের বান প্রসঙ্গেও ইতিবাচক পন্ত। চতুর্থ টেস্টের ম্যাচের সেরা বলছেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকে এটা ভেবে বড় হয়েছি যে আমি খুশি থাকার জন্য ক্রিকেট খেলব এবং বাকিদেরও খুশি করব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.