জয়পুর : রাজস্থান বিধানসভা অধিবেশনের আগে কিছুটা কি সুর নরম করলেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, শনিবারের বক্তব্যে সেই ইঙ্গিতই মিলছে। এদিন তিনি বলেন কংগ্রেস হাইকমান্ড যদি সচিন পাইলট ও তাঁর ১৯জন সঙ্গীকে ক্ষমা করে দেয়, তবে তিনিও ওই বিধায়কদের ফিরিয়ে নিতে রাজি।

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হতে চলেছে ১৪ই অগাষ্ট থেকে। তার আগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা শুরু করেছেন অশোক গেহলট। তারই প্রেক্ষিতে এদিন এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন কারোর সঙ্গেই সেই অর্থে টানাপোড়েন নেই। তবে সরকার ফেলে দেওয়ার চেষ্টা কখনই কাম্য নয়। এদিন তিনি আরও বলেন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড যা সিদ্ধান্ত নেবে, তা মাথা পেতে নেবেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গেহলট বলেন রাজস্থানে সরকার ফেলে দেওয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। সরকার ফেলে দেওয়া রুখতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানান রাজস্থানে যা হচ্ছে, তা রোখার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর রাজস্থানে চলা অচলাবস্থা থামানোর চেষ্টা করা উচিত।

কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী। কারণ তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী বানানোর জন্য কংগ্রেসের অবদান অনস্বীকার্য। এদিকে, শনিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন অধিবেশনের আগে রাজস্থানে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। তাঁর দাবি, ‘আগের চেয়ে ঘোড়া কেনাবেচার দর অনেক বেড়ে গিয়েছে। অনেক বেশি দামে কেনাবেচা চলছে।’

১৪ আগস্ট বিধানসভার অধিবেশনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজস্থানে ঘোড়া কেনাবেচার দর অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের।

এপ্রসঙ্গে গেহলট বলেন, ‘বিধানসভার অধিবেশনের ঘোষণার পরেই বেড়ে গিয়েছে ঘোড়া কেনাবেচার দর। প্রথমে ছিল ১০ কোটি। পরে সেই দর বেড়ে হয় ১৫ কোটি। এখন সেটা আনলিমিটেড। টাকার খেলা চলছে। সবাই জানে এটা কারা করছে।’

সূত্রের খবর, কংগ্রেস বিধায়কদের বিক্রি হওয়া থেকে বাঁচাতে প্রবল প্রচেষ্টা করে চলেছেন গেহলট। প্রথমে জয়পুরে থাকলেও, আপাতত জয়সলমীরের হোটেলে রয়েছেন বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও সেখানেই ছিলেন। সেখান থেকেই ফেরার পথে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন গেহলট।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ