মুম্বই: কোভিড-19-এর থাবায় বেসামাল গোটা বিশ্ব। মারণ এই ভাইরাসের সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে ভারতেও। দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। এখনও পর্যন্ত মহারাষ্ট্রে ১০১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। রাজ্যের মধ্যে মুম্বই শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। এবার সংক্রমণ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ পুলিশের। এবার থেকে মাস্ক না পরে মুম্বইয়ের রাস্তায় কাউকে দেখা গেলেই মিলবে ‘শাস্তি’। অভিযুক্তের জেল পর্যন্তও হতে পারে।

মারণ করোনার সংক্রমণ রুখতে আরও কড়া অবস্থান নিল মুম্বই পুলিশ। দেশের মধ্যে করোনার জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। কোভিড ১৯-এর থাবায় জর্জরিত মারাঠাভূম। ইতিমধ্যে সেই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজারের গণ্ডি।

মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। বাণিজ্যনগরীর পরেই আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পুণে। তারপরেই সব থেকে বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে সেরাজ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর পুনে।

বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে ৬০০-র বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। ক্রমেই মুম্বইয়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। এখনও পর্যন্ত বাণিজ্যনগরীতে মারণ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এবার আরকও কড়া সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্র সরকার ও মুম্বই পুলিশের।

লকডাউন চলাকালীন যদি কোনও ব্যক্তিকে রাস্তায় মাস্ক ছাড়া দেখা যায় তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জেলে ভরা হতে পারে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি রয়েছে মুম্বইয়েই। বাণিজ্যনগরীর এই ধারাভি বস্তিতেও ছড়িয়েছে মারণ করোনার সংক্রমণ। গত কয়েকদিনে ধারাভি বস্তিতে চার জন সংক্রামিত হয়েছেন করোনা ভাইরাসে। সংক্রমণ এই বস্তিতে আরও ছড়ালে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছে মহারাষ্ট্র সরকার। সেই কারণে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত ধারাভি বস্তিতে মোট ৯ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।